শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

দুই বছরের বেশি দণ্ড স্থগিত না হলে নির্বাচনে অযোগ্য

আপডেট : ২৭ নভেম্বর ২০১৮, ০৪:১২ পিএম

নৈতিক স্খলনজনিত ফৌজদারি অপরাধে বিচারিক আদালতে কোনো ব্যক্তির দুই বছর বা তার বেশি মেয়াদে সাজা হলে ওই দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল চলাকালে সাজাপ্রাপ্ত নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। তবে সাজা বাতিল বা স্থগিত এবং দণ্ডিত জামিনে থাকলে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।

বিচারিক আদালতে দেয়া দণ্ড ও সাজা স্থগিত চেয়ে বিএনপির পাঁচ নেতার আবেদন খারিজ করে দেয়া আদেশে বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কেএম হাফিজুল আলমের যুগ্ম হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার এই মত দেন।

আদেশের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৬ (২) (ঘ) অনুযায়ী কারও দুই বছরের বেশি সাজা বা দণ্ড হলে সেই সাজার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল বিচারাধীন থাকা অবস্থায় তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না, যতক্ষণ না আপিল বিভাগ ওই রায় বাতিল বা স্থগিত করে জামিন না দেয়।

এমন সময় আদালত এমন পর্যবেক্ষণ দিয়েছে, যখন দুর্নীতির দুই মামলায় ১৭ বছরের সাজা ভোগরত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন কিনা সেই বিতর্ক চলছে। এতে দৃশ্যত কারাবন্দি এই নেত্রীর নির্বাচনে লড়ার দ্বার রুদ্ধ হলো।

বাসস জানায়, দুর্নীতির মামলায় বিএনপির সাজাপ্রাপ্ত এই পাঁচ নেতা হলেন- সাবেক প্রতিমন্ত্রী আমানউল্লা আমান, বিএনপি নেতা ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আবদুল ওয়াদুদ ভূইয়া, আবদুল ওহাব ও মশিউর রহমান।

আদালতে আমান উল্লাহ আমানের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী জাহিদুল ইসলাম। ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ, আহসানুল করীম ও খায়রুল আলম চৌধুরী।

ওয়াদুদ ভুঁইয়া ও আবদুল ওহাবের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রফিক-উল-হক ও ব্যারিস্টার একেএম ফখরুল ইসলাম। মশিউর রহমানের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার আমিনুল হক ও ব্যারিস্টার মাহবুব শফিক।

দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশিদ আলম খান। আর রাষ্ট্রপক্ষে এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি এটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।

এর আগে সোমবার এই পাঁচ নেতার দণ্ড স্থগিত চেয়ে করা আবেদনের ওপর শুনানি শেষ হয়।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত