নোয়াখালীর সুবর্ণচরে গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনার ইন্ধনদাতা আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক ইউপি মেম্বার রুহুল আমিনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে উপজেলা আওয়ামী লীগের এক জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সাবেক ইউপি মেম্বার রুহুল আমিন উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ছিলেন। মামলার এজাহারে মোট নয়জনকে আসামি করা হলেও রুহুল আমিনের নাম না থাকায় বুধবার রাতে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুকের কাছে হতাশা প্রকাশ করেন ধর্ষণের শিকার ওই নারী। এরপর সেই রাতেই জেলা সদরের একটি হাঁস-মুরগির খামার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনায় রুহুল আমিনকে দল থেকে বহিষ্কারের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছিল স্থানীয় আওয়ামী লীগ। পরে এক জরুরি বৈঠকে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, ‘অনৈতিক কাজের জন্য সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দলের সব কার্যক্রম থেকে রুহুল আমিনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।’
জরুরি বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন, সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চরজুবলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হানিফ চৌধুরী, সহ-সভাপতি ছানা উল্যা বিকম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবুল বাশার এবং দলের সাংগঠনিক নেতারা।
