এবারের নির্বাচনে সব চক্রান্ত, ষড়যন্ত্রকে পরাজিত করে এক এসিড টেস্টে উত্তীর্ণ হয়েছে বাংলাদেশ। যারা মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকার করে, তার বিরোধী রাজনীতি করে, তাদের সেই রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ।
গতকাল শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘সম্প্রীতি বাংলাদেশ’-এর আয়োজনে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘সম্প্রীতির নির্বাচন, নতুন সরকার ও আগামী দিনের প্রত্যাশা’ শিরোনামের আলোচনা সভায় অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল এ কে মোহাম্মদ আলী শিকদার এ কথা বলেন।
বৈঠকের সভাপতি পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায় আলোচনার শুরুতে বলেন, ‘নির্বাচনের আগে দেশের বিভিন্ন স্থানে আমরা ঘুরেছি। আমরা চেয়েছিলাম মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী, মানবিক দর্শনের মানুষ এবারের নির্বাচনে জঙ্গিবাদী-সাম্প্রদায়িক শক্তিকে রুখে দেয়। এই নির্বাচন অপশক্তিকে রুখে দিয়েছে।’
এবারের নির্বাচনের আগে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইর সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগ নিয়েও এই সভায় আলোচনা হয়।
মোহাম্মদ আলী শিকদার বলেন, নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী তালিকা আইএসআই মনোনীত ও লন্ডন থেকে অনুমোদিত। তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের পঁচাত্তরের কথা ভুলে গেলে চলবে না। দেশি-বিদেশি চক্রান্তকারীরা, ষড়যন্ত্রকারী যে কোনো সময় আঘাত হানতে পারে।’ সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি নতুন সরকারকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথাও বলেছেন বক্তারা। আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন ছাত্রলীগ, যুবলীগকে নিয়ন্ত্রণ করার অনুরোধও জানানো হয় বৈঠকে। আলোচনা সভায় যোগ দেন সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ হাসান ইমাম, মুক্তিযোদ্ধা রোকেয়া কবির, সাংবাদিক রহমান মুস্তাফিজ, বঙ্গবন্ধু পরিষদের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মতিউর রহমান লালটু।
