'দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স শুরু করেছিলেন বঙ্গবন্ধু'

আপডেট : ০৯ জানুয়ারি ২০১৯, ০৬:৩৮ পিএম

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ভাষণে দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স প্রসঙ্গটি তুলে ধরেছিলেন জানিয়ে অর্থনীতিবিদ ড. আবুল বারাকাত বলেছেন, বাংলাদেশে দুর্নীতি জিরো টলারেন্সে নেয়া সম্ভব হলে প্রবৃদ্ধি ১২ শতাংশে পৌঁছে যাবে।

বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। বঙ্গবন্ধু পরিষদের উদ্যোগে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘স্বদেশ প্রত্যাবর্তন’ আমাদের মহান স্বাধীনতা পূর্ণতা লাভ করে’ শীর্ষক এই আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভাটি সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক এস এ মালেক।  

অর্থনীতিবিদ ড. আবুল বারাকাত বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ভাষণে একতা, ষড়যন্ত্র ও দুর্নীতি বিষয় তুলে ধরেছিলেন। ৪৭ বছর আগেই বঙ্গবন্ধু দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স বাস্তবায়নের কথা বলেছিলেন। দুর্নীতি সবাই করে না, কিছু মানুষ করেন। তাদের দমন করতে হবে।’

বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, একাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহারে দেশের সামাজিক ও অর্থনীতি বিষয়ে বৈষম্য দূরীকরণের কথা বলা হয়েছে। শহরের মতো গ্রামগুলোকেও ঢেলে সাজানোর কথা বলা হয়েছে। ৪৭ সদস্য বিশিষ্ট নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়েছে। সেখানে অনেক নবীনকে জায়গা দেয়া হয়েছে, বিগত দিনেও যারা দায়িত্ব পালন করেছেন এমন প্রবীণদেরও রাখা হয়েছে।

আমাদের আত্মতুষ্টির সময় আসেনি মন্তব্য করে এই অর্থনীতিবিদ বলেন, নিজেদের ব্যর্থতা ও সমস্যা স্বীকার করতে হবে। এটির মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হবে। সরকারকে সে বিষয়ে উদ্যোগ নিতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ স ম আরেফিন সিদ্দিকী বলেন, ‘শুধু সরকার চেষ্টা করলেই দেশে দুর্নীতি নির্মূল হবে না। এ জন্য সবাইকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে। তবেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে’।                                                                      

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত