স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে পুলিশের পেটানোর ভিডিও ভাইরাল

আপডেট : ১৪ জানুয়ারি ২০১৯, ০৫:৩২ পিএম

ভোলায় ট্রাফিক পুলিশ কর্তৃক আওলাদ হোসেন নামে এক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে রাস্তায় ফেলে পেটোনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

রোববার বিকেলে সদর থানার ট্রাফিক পুলিশের এটিএসআই শাহ আলম শহরের বাংলা স্কুল মোড়ে ওই স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে রাস্তায় ফেলে মারধর করেন।

মোটরসাইকেলের লাইসেন্স পরীক্ষার নিয়ে তর্কের একপর্যায়ে আওলাদকে মারধর করেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা। আওলাদ বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম-সম্পাদক।

এদিকে ঘটনার ভিডিও ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ভাইরাল হয়ে পড়লে বিষয়টি ভোলায় ‘টক অব দ্যা টাউনে’ পরিণত হয়।

ভিডিওতে দেখা যায়, এটিএসআই শাহ আলম ওই যুবককে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও রাস্তায় ফেলে এলোপাতাড়ি মারতে থাকেন।

সোমবার সকালে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আওলাদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। আমি শেখ হাসিনার একজন কর্মী হয়ে যদি এঘটনার বিচার না পাই, তাহলে সাধারণ মানুষের কী হবে?’

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে এই স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা বলেন, তিনি নিজে এবং তার এক বন্ধু ছাত্রলীগ নেতা দুটি আলাদা মোটরসাইকেলে বোরহানউদ্দিন থেকে ভোলা জেলা শহরে আসেন। শহরের বাংলা স্কুল মোড়ে ট্রাফিক পুলিশ তাদের মোটরসাইকেল দাঁড় করায়।

মোটরসাইকেলের কাগজপত্র যাচাই করে আওলাদের কাগজপত্র ঠিক থাকায় পুলিশ তাকে ছেড়ে দেয়। কিন্তু তার অপর সঙ্গীর হেলমেট না থাকাসহ কাগজে ‘কিছু ত্রুটি’র জন্য মোটরসাইকেল আটকে রাখে।

এসময় সময় আওলাদ তার বন্ধুর মোটরসাইকেলটি ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন সেখানে দায়িত্বরত এটিএসআই শাহ আলম। একপর্যায়ে আওলাদের উপর চড়াও হন শাহ আলম। গলার মাপলার ধরে টেনে মাটিতে ফেলে দিয়ে তাকে লাথি মারতে থাকেন।

স্থানীয়রা এমন দৃশ্য দেখে হতবাক হন। ওই সময় বেশ কয়েকজন পথচারী এই দৃশ্য মোবাইলে ভিডিও করেন। তাদের অনেকে আবার ভিডিওটি ফেসবুকে আপলোড দিয়েছেন।

অভিযুক্ত ভোলা সদর থানার এটিএসআই শাহ আলম এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি। তবে তিনি দাবি করেন, ইতোমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে সমঝোতা হয়েছে।

ভোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ) মো. ছগির মিয়া জানান, দুজনের মধ্যে সামান্য ভুল বুঝাবুঝি হয়েছিল। তাদের মধ্যে সমঝোতা করে দেওয়া হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত