মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মিশ্রিত বাঙালিয়ানা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের চ্যালেঞ্জ নিয়ে নতুন আঙ্গিকে আসছে এশিয়ান টেলিভিশন। বেসরকারি টেলিভিশনটির ষষ্ঠ বর্ষপূর্তি উপলক্ষে জীবনধর্মী ও রুচিসম্মত নাটক, বীরাঙ্গনাদের সংবর্ধনা এবং ছোটদের জন্য মানসম্মত অনুষ্ঠানসহ ব্যাপক আয়োজন থাকছে তাদের। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর নিকেতনস্থ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান টেলিভিশনের চেয়ারম্যান হারুন-উর-রশিদ।
তিনি বলেন, ‘নতুন বছরে এশিয়ান টিভিতে বিনোদন, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, শিশুদের নিয়ে ভাবনা সবই থাকছে। এছাড়া অভিনয় জগতে যোগ্য শিল্পীদের আমরা পুরস্কৃত করব।’ আগামীর পরিকল্পনার কথা জানিয়ে হারুন-উর-রশীদ বলেন, ‘দেশি-বিদেশি দর্শকের মন জয় করে আগামী ১৮ জানুয়ারি ৭ম বর্ষে পা দিচ্ছে এশিয়ান টেলিভিশন। এই শুভক্ষণে দর্শকদের জন্য মানসম্মত অনুষ্ঠানমালা প্রচারের প্রয়াস ব্যক্ত করছি। মিডিয়া প্রতিষ্ঠানটির গঠনমূলক সমালোচনার পাশাপাশি বিদেশি চ্যানেল ও সংস্কৃতির আগ্রাসন রোধে শিল্পী কুলাকুশলী এবং সংবাদকর্মীদের সহযোগিতাও প্রয়োজন।’ টেলিভিশনটিকে ‘গণমানুষের কণ্ঠস্বর’ হিসেবে দাবি করে তিনি বলেন, ‘দর্শকের জন্য সব ধরনের সুন্দর অনুষ্ঠান প্রচারে আমাদের টেলিভিশন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
প্রতিষ্ঠানটির হেড অব প্রোগ্রাম জাহিদ হোসেন শোভন জানান, বর্ষপূর্তি উপলক্ষে পাঁচ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে এশিয়ান টিভি। তারই ধারাবাহিকতায় আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে ভাষা ও বর্ণমালা এবং মহান স্বাধীনতার মাসে ‘মুক্তিযুদ্ধের সাতকাহন’ অনুষ্ঠান নির্মাণের প্রস্তুতি চলছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণে সংহতি প্রকাশ করে ‘ফিউচার টেক’ নামে একটি টেকনোলজিভিত্তিক অনুষ্ঠানও নিয়মিত প্রচার করছি আমরা।’ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এশিয়ান টিভির ডেপুটি হেড অব প্রোগ্রাম তানভীর তন্ময়, চিফ নিউজ এডিটর মো. বেলাল হোসাইন, জিএম শাহ রেজাউল মাহমুদ, হেড অব মার্কেটিং শেখ সাখায়েত উল্যা মিলন প্রমুখ।
