বিএনপি ও তাদের জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ না নেওয়ার সিদ্ধান্তের মধ্যে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচিত জাহিদুর রহমান সরকারি কর্মসূচিতে গিয়ে তোপের মুখে পড়েছেন। দলের উচ্চপর্যায় থেকে স্থানীয় নেতাকর্মীরা এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বলে জানা গেছে।
তবে একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে নির্বাচিত এই নেতা দেশ রূপান্তরকে জানান, এমপি হিসেবে নয়, মামলাসংক্রান্ত বিষয়ে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে গিয়েছিলেন তিনি।
বৃহস্পতিবার সকালে পীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে প্রতিবেদককে এ প্রতিক্রিয়া জানান জাহিদুর রহমান।
বুধবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসনের আয়োজনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা হয় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান। সঙ্গে ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে নির্বাচিত রমেশ চন্দ্র সেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব শাহ কামাল, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু সৈয়দ মো. হাশিম, জেলা প্রশাসক কেএম কামরুজ্জামান সেলিম, পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামানসহ প্রশাসনে উর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
সভার শেষ সময়ে সভাস্থলে আসেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসন থেকে ধানের শীষে নির্বাচিত প্রার্থী জাহিদুর রহমান। দেশ রূপান্তর অনলাইনে এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর তোপের মুখে পড়তে হয় বিএনপির এ নেতাকে।
জাহিদুর রহমান বলেন, সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সেখানে উপস্থিত হইনি। নির্বাচনের আগে ও পরে আটক নেতাকর্মীদের জামিনসহ প্রশাসনের সঙ্গে দেখা করতে উপস্থিত হয়েছিলাম।
ওই সভায় তিনি বক্তব্য দেননি বা খাতায় স্বাক্ষর করেননি বলে জানান।
দল ত্যাগ করে শপথ নিয়ে সংসদে যাবেন এমন গুঞ্জন বিষয়ে তিনি বলেন, প্রশ্নই আসে না। যেখানে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াসহ হাজার হাজার নেতাকর্মী জেলে, হাজার হাজার নেতাকর্মী মামলা-হামলায় জর্জরিত। সেখানে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে সংসদে যাওয়ার বিষয়টি আমার বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষের মিথ্যাচার, প্রোপাগান্ডা। বিএনপিতে আছি, থাকব।
দলীয় সিদ্ধান্তে আনুগত্য থাকবে বলেও জানান তিনি।
