কবি, সুরকার, গায়ক, অভিনেতা, সাংবাদিক, লেখক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা প্রয়াত ভূপেন হাজারিকাকে ভারতের সাংস্কৃতিক দার্শনিক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এসব অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ভূষিত হয়েছেন ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ভারতরত্নে।
অন্যদিকে ডিসেম্বরে প্রয়াত হওয়া বলিউডের অভিনেতা ও চিত্রনাট্যকার কাদের খানকে দেওয়া হচ্ছে চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মশ্রী।
দেশটির ৭০তম প্রজাতন্ত্র দিবসকে সামনে রেখে শুক্রবার এ ঘোষণা আসে।
এক টুইট বার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানান, ভূপেন হাজারিকা ছড়িয়েছেন ন্যায় বিচার, সংহতি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা। ভারতের সাংগীতিক ঐতিহ্যকে জনপ্রিয় করেছেন বিশ্বব্যাপী। তাকে ভারতরত্নে সম্মানিত করতে পেরে তিনি আনন্দিত।
একই দিন জানানো হয়, তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মভূষণ পাচ্ছেন মোহনলাল। চার দশক ধরে এ অভিনেতা মালায়লাম, হিন্দি, তামিল, তেলুগু ও কন্নড় সিনেমায় অবদান রেখে আসছেন।
এ ছাড়া পদ্মশ্রী পেয়েছেন যথাক্রমে নৃত্য, সিনেমা ও সংগীতের তিন আইকন প্রভুদেবা, মনোজ বাজপেয়ি ও শঙ্কর মহাদেবন।
সাম্প্রতিক ভারতে লৈঙ্গিক অসাম্য নিয়ে অনেক কথাবার্তা হচ্ছে। মোদি সরকারের নানা প্রকল্পে গুরুত্ব পেয়েছে নারী প্রসঙ্গ। কিন্তু পদ্ম পুরস্কারের তালিকায় সিনেমা জগতের কোনো নারীর নাম নেই।
এবারের তালিকায় পদ্মশ্রী প্রাপক হিসেবে ১১৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। তার মধ্যে রয়েছেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েকের বোন লেখিকা গীতা মেহতা। নিউ ইয়র্ক থেকেই এক বিবৃতি দিয়ে পুরস্কার নিতে অস্বীকার করেছেন তিনি।
কৃতজ্ঞতা জানিয়ে গীতা বলেন, “খুব দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, এই সম্মান আমি নিতে পারব না। কারণ সামনেই লোকসভা নির্বাচন। এই সময়ে এই সম্মান ভুল বার্তা দিতে পারে, তাতে ভারত সরকার এবং আমি দুই পক্ষই বিব্রত হব। যা আমার পক্ষে আরও বেশি দুঃখজনক।”
