জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের পরিবর্তে সরাসরি নির্বাচন চালুর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। একই সঙ্গে মোট আসনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ নারী আসন চেয়েছে সংগঠনটি। গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে পরিষদের নেত্রীরা এ দাবি জানান।
মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়শা খানম বলেন, ‘সংসদে দলীয় মনোনয়নের মাধ্যমে নারীর প্রতিনিধিত্ব পোষা তোতা পাখির মতো। দলের শেখানো বুলির বাইরে বৃহত্তর নারীসমাজের পক্ষে কোনো কথাই তারা বলতে পারেন না। দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠীর যথার্থ প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি থাকা আবশ্যক।’ তিনি বলেন, ‘মহাজোটের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন ৩৩ শতাংশে উন্নীত করা এবং সরাসরি নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল। ২০০৯ সালে প্রধানমন্ত্রী নারী আসন বাড়িয়ে ১০০ এবং সরাসরি ভোটের কথা বলেছিলেন। সরকার এসব প্রতিশ্রুতি উপেক্ষা করে ৫০টি সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন আরও ২৫ বছর রাখার বিধান করা হয়েছে। যা নারীসমাজের জন্য অসম্মানজনক।’
সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু বলেন, ‘সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন প্রথা বাতিল করে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে।’ মানববন্ধনে মহিলা পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাখী দাশ পুরকায়স্থসহ ৫৩টি জেলার প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
