খাশোগি হত্যাকাণ্ড তদন্তে তৎপর জাতিসংঘ

আপডেট : ২৭ জানুয়ারি ২০১৯, ০৪:৫৯ পিএম

সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু করেছে জাতিসংঘ। এ জন্য সোমবার এক সপ্তাহের সফরে তুরস্কে আসছেন জাতিসংঘের একজন তদন্ত কর্মকর্তা। তবে ইস্তাম্বুলের সৌদি দূতাবাসে তার প্রবেশের জন্য অনুমতি চাইলে এখনও তা মেলেনি।

আলজাজিরা জানায়, তুরস্কের আমন্ত্রণে সোমবার থেকে এক সপ্তাহজুড়ে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষ দূত অ্যাগনেস কলামার্ড এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত চালাবেন।

তবে তিনি জানান, দূতাবাসে ঢুকার জন্য আবেদন করা হলেও এ বিষয়ে এখনও কিছু বলেনি সৌদি কর্তৃপক্ষ।

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের কড়া সমালোচক হিসেবে পরিচিত ছিলেন জামাল খাশোগি। গত ২ অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি দূতাবাস প্রবেশের পর নিখোঁজ হন ওয়াশিংটন পোস্টের এই কলামিস্ট।

তুরস্ক ও আন্তর্জাতিক মহলের চাপে পরবর্তীতে তিনি হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলে স্বীকার করে নেয় সৌদি কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে ওঠে আসে, এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান জড়িত। তার নির্দেশেই খাশোগিকে হত্যা করা হয়।

এমনকী তার দেহ কেটে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয় এবং গোপন জায়গা তা সরিয়ে ফেলা হয় বলেও সে প্রতিবেদনে ওঠে আসে।

যদি সৌদি কর্তৃপক্ষ শুরু থেকে এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুবরাজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে আসছে। 

কলামার্ড রয়টার্সকে বলেন, ‘আমি ইস্তাম্বুলের সৌদি দূতাবাসে প্রবেশের অনুমতি চেয়েছিলাম এবং সৌদি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকের জন্য আবেদন করেছিলাম। একইভাবে আমি সৌদি আরবে যেতে চাই।’

কিন্তু জেনেভার সৌদি মিশন এবং রিয়াদের সরকারি মিডিয়ার অফিস তাকে কোনো ধরনের উত্তর দেয়নি বলে জানান কলামার্ড।  

তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি খাশোগি হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সত্যিটা বের হয়ে আসতে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘটনার জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা করতে এ তদন্ত একটি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।’

এছাড়া গত সপ্তাহে তিনি বলেছিলেন, ‘তিনজন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞসহ একটি আইনি ও ফরেনসিক দল এ হত্যাকাণ্ডের সত্য উদঘাটন সেইসঙ্গে এর সঙ্গে জড়িত রাষ্ট্র ও ব্যক্তি বিশেষের সম্পর্ক অনুসন্ধান চেষ্টা করবে।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত