বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ১০ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

বিএনপির কালো ব্যাজ ধারণ করা উচিত: ওবায়দুল কাদের

আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৭:৪০ পিএম

একাদশ সংসদ নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়ের জন্য বিএনপির কালো ব্যাজ ধারণ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বুধবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, এত বড় একটি রাজনৈতিক দল খুব কম কেন্দ্রে তারা এজেন্ট দিতে পেরেছে। এজেন্ট দেওয়ার মতো সক্ষমতা তাদের নেই। যারা কেন্দ্র পাহারা দেবে বলে নির্বাচনের আগে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে নির্বাচনের দিন তাদের ভোট কেন্দ্রে দেখা যায়নি। এখন তারা এই শোচনীয় পরাজয়ের জন্য কালো ব্যাজ ধারণ করুক এতে করে তাদের নেতা-কর্মীরা এবং দেশবাসী জানতে পারবে তারা কেন কালো ব্যাজ ধারণ করেছে। 

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এবং উপজেলায় ৩০ ডিসেম্বরের আদলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে চায় নির্বাচন কমিশন। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) এ বক্তব্যের সঙ্গে কাদের একমত কী না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন ফ্রি ফেয়ার ইলেকশন। তার (সিইসি) সঙ্গে দ্বিমত প্রকাশের সুযোগ কোথায়? জাতীয় নির্বাচন যেভাবে হয়েছে উপজেলা নির্বাচনেও সেভাবেই শিডিউল অনুযায়ী হবে। এতে দ্বিমত প্রকাশ এর কোন সুযোগ নেই। 

বিএনপি এবং জাতীয় পার্টি উপজেলা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না এমন ঘোষণায় আওয়ামী লীগ প্রতিদ্বন্দ্বিতা উন্মুক্ত করবে কী না জানতে চাইলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, উন্মুক্ত-ই যদি করব তাহলে এতো আয়োজন করে মনোনয়ন ফরম বিতরণ কেন? মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন এর আগ পর্যন্ত আপনারা বলতে পারেন না কে অংশ নেবে আর কে নেবে না। শেষ মুহূর্তেও অনেকে সিদ্ধান্ত বদল করতে পারে। তাই মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগ পর্যন্ত বলা যাচ্ছে না। 

দলীয় মনোনয়ন নিয়ে বঞ্চিতদের ক্ষোভ প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, এটি অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রের চর্চা। দ্বন্দ্ব বলতে এটা বিদ্বেষপ্রসূত কোন দ্বন্দ্ব নয়। খুব স্বাভাবিক কারণেই দলের ভেতরে সুস্থ একটা প্রতিযোগিতা হতেই পারে। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এটা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেটা দেখার অপেক্ষায় থাকতে হবে। তারপর দ্বন্দ্ব কী না সেটা বলা যাবে। 

অনেক উপজেলায় প্রভাব খাঁটিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যরা নিজেদের লোক এমনকি আত্মীয়-স্বজনদের নাম পাঠিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে কেন্দ্রের ভূমিকা কী হবে? জানতে চাইলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, মনোনয়নপত্র খতিয়ে দেখব এখানে কার ভাই, কার বোন। এটা কোন প্রশ্ন নয়, জনগণের কাছে কার জনপ্রিয়তা কতটুকু, কে উইনেবল; কে ইলেকটেবল সেটা আমরা খতিয়ে দেখব।

তিনি বলেন, আমরা উপজেলায় একটি বর্ধিত সভায় নাম নির্ধারণের জন্য বলেছিলাম। ওই বর্ধিত সভায় যদি কোন আত্মীয়র নাম চলে আসে তাহলে তো কিছু করার নেই। আত্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও নাম রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চাপা পড়ে যাবে সেটা তো হতে পারে না।

 

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত