গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগ এনে ওই নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ করে বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের ৭৮ প্রার্থী হাইকোর্টে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছেন।
এসব মামলা দেখভালের দায়িত্বে থাকা বিএনপির আইনজীবী প্যানেলের সদস্য ও বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় প্রার্থীদের আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস কাজল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দেশ রূপান্তরকে এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, বুধবার পর্যন্ত বিএনপি ও এক্যফ্রন্টের ২৫ জন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছিলেন। আর বৃহস্পতিবার মামলা করেছেন ৪৯ জন।
রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘পর্যায়ক্রমে আমাদের আইনজীবীদের মাধ্যমে মামলা করছেন ওই নির্বাচনে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থীরা। আরো অনেকেই মামলা করবেন।’ তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করছি আগামী সপ্তাহেই এ বিষয়ে শুনানি শুরু হবে।’
বিএনপির আইনজীবীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বরিশাল-১ আসনের জহির উদ্দিন স্বপন, গাজীপুর-৪ আসনের শাহ রিয়াজুল হান্নান, মৌলভীবাজার-৩ আসনের নাসের রহমান, মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের আবদুল হাই এবং ভোলা-২ আসনের হাফিজ ইব্রাহিম নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে বুধবার মামলা দায়ের করেন।
এ ছাড়া মঙ্গলবার মামলা করেন ঝিনাইদহ-৪ আসনের সাইফুল ইসলাম ফিরোজ ও টাঙ্গাইল-৭ আসনের আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী। আর গণফোরামের শীর্ষ নেতা ও ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী সুব্রত চৌধুরী কয়েক দিন আগেই মামলা করেছিলেন।
বৃহস্পতিবার পর্যন্ত নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছেন এমন বেশ কয়েকজনের জনের নাম পাওয়া গেছে। তারা হলেন, মানিকগঞ্জ-২ মইনুল ইসলাম খান শান্ত, ঢাকা-৫ নবীউল্লাহ নবী, নারায়নগঞ্জ-২ নজরুল ইসলাম আজাদ, ঢাকা- ২ ইরফান ইবনে আমান অমি, নরসিংদী-৫ ইঞ্জিনিয়ার আশরাফউদ্দিন, মানিকগঞ্জ-৩ এর মফিজুল ইসলাম খান কামাল, চট্টগ্রাম-১৫ আব্দুল মোমেন চৌধুরী, বরিশাল-৩ জয়নাল আবেদীন, সিরাজগঞ্জ-২ রুমানা মাহমুদ।
পিরোজপুর-৩ রুহুল আমিন দুলাল, ঢাকা- ১৯ দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, ভোলা-৩ হাফিজ উদ্দিন আহাম্মদ প্রিন্স, কুড়িগ্রাম-৩ তাজরিনা ইসলাম, ঢাকা-৭ মোস্তফা মহসিন মন্টু, লালমনিরহাট- ১ হাসান রাজিব, কুড়িগ্রাম- ৩ তাসবিরুল ইসলাম, দিনাজপুর- ৪ আখতারুজ্জামান মিয়া, রংপুর- ৬ শহীদুল ইসলাম, গাইবান্ধা-৫ ফারুক আলম সরকার, দিনাজপুর- ২ মো. সাদিক রিয়াজ।
