চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে বাংলাদেশ বিমানের ময়ুরপঙ্খী ছিনতাইয়ের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে এক কেবিন ক্রুর উপস্থিত বুদ্ধিতে।
তিনি ছিনতাইকারীর নড়াচড়া দূর থকে দেখতে পেয়ে পাইলটকে খবর দেন। যার ফলে ছিনতাইকারীর পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়।
ওই কেবিন ক্রুর নাম সাগর। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের জেনারেল ম্যানেজার শাকিল মেরাজ দেশ রূপান্তরকে এসব তথ্য জানান।
সাগরের বরাত দিয়ে তিনি বলন, রোববার সাড়ে পাঁচটার পর বিমানটি ঢাকা থেকে ছাড়ার পর এক ব্যক্তিকে অস্ত্র হাতে নাড়াচাড়া করতে দেখেন সাগর। এতে আশপাশে সবাই ভয় পেয়ে গেলেও সাগর ভয় পায়নি। তিনি গোপনে ককপিটে চলে যান। সেখানে গিয়ে পাইলটকে বিষয়টি অবহিত করেন।
শাকিল মেরাজ আরো বলেন, পাইলট বিষয়টি জানতে পেরে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের সঙ্গে যোগাযোগ করে। যার ফলে জরুরি অবতরণের বিষয়টি সহজ হয়। বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টাও ব্যর্থ হয়।
বিমানের এ কর্মকর্তা এর আগে জানান, ময়ূরপঙ্খী উড়োজাহাজটি বোয়িং-৭৩৭ মডেলের। ১৪২ জন যাত্রী ও পাঁচজন ক্রু নিয়ে বিজি-১৪৭ ফ্লাইটটি ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে দুবাই যাচ্ছিল।
ওই উড়োজাহাজের ভেতরে থাকা এক যাত্রীর সূত্রে জানা গেছে, বিকেল সাড়ে চারটার দিকে উড়োজাহাজটি ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের দিকে যাত্রা করে। সেখান থেকে উড়োজাহাজটির দুবাই যাওয়ার কথা ছিল। চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর উড়োজাহাজটি থেকে যাত্রীদের নামিয়ে দেওয়া হয়।
তারা জানান, অস্ত্রধারী ব্যক্তি ককপিটে গিয়ে পাইলটকে হুমকি দেন কোথায় কোথায় যেতে হবে এ নিয়ে। তবে পাইলট ককপিটের দরজা খোলেননি। তিনি চট্টগ্রামে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই জরুরি অবতরণ করেন।
রাত আটটার দিকে এ জিম্মি নাটকের অবসান ঘটে। সেনাবাহিনীর কমান্ডো দল অস্ত্রধারী ওই ব্যক্তিকে আটক করে।
×
