স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আবজাল হোসেনের শাশুড়ি রেহেনা বেগম ও শ্যালক রেজাউল ইসলামকে (বুলবুল) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার কমিশনের উপপরিচালক সামছুল আলম তাদের নোটিশ পাঠিয়ে আগামী ৭ মার্চ হাজির হতে বলেন। বুলবুলকে আগেও এক দফা জেরা করেছিল দুদক। সম্প্রতি আবজালের শাশুড়ি কিছু সম্পদ বিক্রির চেষ্টা করছেন বলে দুদকে অভিযোগ আসে। এসব সম্পদের উৎস জানা এবং আবজালের গোপন সম্পদের তথ্য জানতে তাদের তলব করা হয়। এর আগে আবজাল হোসেন ও তার স্ত্রীসহ পরিবারের ১৭ জনকে তলব করেছিল দুদক।
অনুসন্ধান দলের একজন কর্মকর্তা জানান, আবজালের যেসব সম্পদের তথ্য তাদের হাতে আছে, তার বাইরেও অনেক সম্পদ রয়েছে। আবজাল দম্পতি নিকটাত্মীয়দের নামে ওই সব সম্পদ করেছেন। তাই ওই সব সম্পদের তথ্য চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
দুদক জানিয়েছে আবজালের বাড়ি ফরিদপুরে। ১৯৯২ সালে তৃতীয় বিভাগে উচ্চমাধ্যমিক পাস করার পর আর পড়াশোনা করেননি তিনি। ১৯৯৫ সালে তৎকালীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফের সুপারিশে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঁচটি মেডিকেল কলেজ স্থাপন প্রকল্পে অফিস সহকারী পদে অস্থায়ীভাবে যোগ দেন তিনি। আবজাল হোসেনের স্ত্রী রুবিনা খানম একই প্রকল্পে স্টেনোগ্রাফার হিসেবে তিন বছর চাকরি করেন। আবজাল দম্পতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে নিয়োগ-বদলি বাণিজ্য, টেন্ডারবাজি, ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ, কাজ না করে বিল তুলে নিয়ে বিপুল সম্পদ গড়েন বলে অভিযোগ রয়েছে।
