বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

মহসিন শস্ত্রপাণি আর নেই

আপডেট : ০৩ মার্চ ২০১৯, ১১:২০ এএম

সাংবাদিক, প্রাবন্ধিক, কথাসাহিত্যিক ও বাম রাজনীতিক মহসিন শস্ত্রপাণি আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর।

শনিবার দিবাগত রাত ১২টায় তিনি মারা যান বলে দেশ রূপান্তরকে জানান কবি ও প্রাবন্ধিক মতিন বৈরাগী।

রোববার সকালে মতিন বৈরাগী বলেন, গতকাল রাতে যশোরের কিংস হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন মহসিন শস্ত্রপাণি। অনেক দিন ধরেই তিনি শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন।

তিনি জানান, ঝিনাইদহের মহেশপুরে নিজ গ্রামের ছেলেমেয়েদের মেধাবৃত্তি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে সেখানে গিয়েছিলেন মহসিন শস্ত্রপাণি। সেখানে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু এক ঘণ্টার মধ্যেই চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মহসিন শস্ত্রপাণি'র জন্ম ব্রিটিশ ভারতের ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুরের কাজীরবেড় নামক গ্রামে ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দের ১৯ ডিসেম্বর। তার বাবা সৈয়দ আবদুল মুত্তালিব ও মা জাহানারা খাতুন। 

সৈয়দ আবদুল মুত্তালিব হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক ছিলেন। মহসিন শস্ত্রপাণি বাা-মায়ের পাঁচ সন্তানের মধ্যে প্রথম।

মহসিন শস্ত্রপাণি বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, লেখক। তিনি মার্ক্সীয় রাষ্ট্রবিজ্ঞানে দীক্ষিত। যৌবনের শুরুতেই তিনি সামাজিক শোষণ-বঞ্চনার অবসান এবং মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত হয়ে পড়েন। তিনি বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব।

ব্রিটিশ ভারতে ১৯৪৫ সালের ১৯ ডিসেম্বর মহসিন শস্ত্রপাণির জন্ম। তার বাবা সৈয়দ আবদুল মুত্তালিব ও মাতা জাহানারা খাতুন। তার পৈতৃক নিবাস ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুরের কাজীরবেড় গ্রামে। ১৯৬৩ সাল থেকে মহসিন শস্ত্রপাণি ঢাকায় বসবাস করছেন।

প্রায় ৩০ বছর তিনি একাধারে সাংবাদিকতা ও প্রকাশনার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন। দৈনিক আজাদ, দৈনিক জনপদ এবং সাপ্তাহিক গণবাংলা পত্রিকায় তিনি কাজ করেছেন। ১৯৭৯ থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত তিনি মাসিক উন্মেষ পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও কিছুকাল তিনি সাপ্তাহিক পত্রিকা নয়া দুনিয়ার সম্পাদক-প্রকাশক ছিলেন।

তার একটি গল্পসংকলন ১৯৮০ সালে প্রকাশিত হয় যার নাম ‘জনশ্রুতি’, এছাড়া তার কয়েকটি বইয়ের নাম, 'বিপ্লবী হো চি মিন’, ‘লাল তারার কাহিনী’, ‘আজালিয়া পর্বত’, ‘উত্তর দেশের দৃশ্য’।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত