ত্বকীকে হত্যার পর হত্যাকারীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এই দেশে ত্বকী হত্যাকাণ্ড একটি বিচারহীনতার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। এমন সম্ভাবনাময় কিশোরের হত্যাকাণ্ডে যারা জড়িত তাদের বিচার যতদিন এ দেশে হবে না ততদিন এ দেশ বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে না। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ত্বকী হত্যার ছয় বছর পূর্তিতে ‘সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চ’ আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকের বক্তারা এসব কথা বলেন।
২০১৩ সালের ৬ মার্চ নারায়ণগঞ্জ শহরের বাসার সামনে থেকে নিখোঁজ হয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিউর রাব্বির ছেলে তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী। পরে ৮ মার্চ সকালে শীতলক্ষ্যা নদীর শাখা চারারগোপ এলাকার খালে ত্বকীর লাশ পাওয়া যায়।
ত্বকীর বাবা রফিউর রাব্বির সভাপতিত্বে বৈঠকে সাংবাদিক কামাল লোহানী বলেন, ‘ত্বকী হত্যার পর এটি এখনো আন্দোলনে পরিণত হয়নি। এটা আমাদের ব্যর্থতা। আমাদের প্রয়োজনে আবার আইনের আশ্রয় নিতে হবে। প্রয়োজন হলে সংগঠন তৈরি করে গণআন্দোলন করতে হবে। সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছতে হবে। সেই সময় এসে গেছে।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘ত্বকী হত্যা একটি প্রতিবাদে পরিণত হয়েছে। আমাদের দেশের বিচারহীনতার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। ত্বকী কাউকে আঘাত করেনি। কারও প্রতি অন্যায় করেনি। তারপরও তাকে হত্যা করা হয়েছে। এ রাষ্ট্র তাকে নিরাপত্তা দিতে পারেনি।’
