নাশকতা পরিকল্পনা: পৌর মেয়রসহ আওয়ামী লীগের ১১ নেতাকর্মী আটক

আপডেট : ০৯ মার্চ ২০১৯, ০৬:৪৫ পিএম

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন এবং ভোটের দিন নাশকতার পরিকল্পনার দায়ে রাজশাহীর দুর্গাপুর পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেনসহ আওয়ামী লীগের ১১ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের ৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

শনিবার দুপুর দুইটার দিকে দুর্গাপুর পৌর সভা কার্যালয়ে বৈঠক করার সময় তাদের আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ১১ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার হামিদ ও জর্জ মিত্র চাকমা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে প্রত্যেককে পাঁচ দিন করে কারাদণ্ড দেন। সাজাপ্রাপ্তরা দুর্গাপুরের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আব্দুল মজিদের সমর্থক।

রাজশাহীর পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে তারা একজন প্রার্থীর পক্ষে বৈঠক করছিল সেই সঙ্গে তারা নাশকতার পরিকল্পনা করছিল বলে আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে তাদেরকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের ৫দিনের কারাদণ্ড দিয়েছে।

আটক অন্যরা হলেন, পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজহার আলী, ঝালুকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাহার আলী, পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান মজনু, উপজেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সভাপতি নুর হোসেন, পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সোলাইমান আলী, পৌরসভা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শরিফুজ্জামান শরিফ, দৌলিয়াবাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, পৌর মেয়র তোফাজ্জাল হোসেনের ছেলে মনিরুজ্জজামান মনি, ভাগনে রবিউল ইসলাম রবিন ও আওয়ামী লীগ কর্মী সাকিল।

রোববার অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে দুর্গাপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগ প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম। তার বিপরীতে ভোটের মাঠে লড়ছেন একই দলের দুজন প্রার্থী। এরা হলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল মজিদ সরদার এবং উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল কাদের।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত