ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদে (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) নির্বাচিত নুরুল হক নুর ডাকসু নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তার পুরো প্যানেল জিততো বলে মন্তব্য তার।
মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে তার ফেসবুক পেজে এক পোস্টে নুরুল হক এ প্রতিক্রিয়া জানান।
তিনি লেখেন, “রাতে ব্যালটে সিল মেরে বাক্স ভর্তি, বাইরের শিক্ষার্থীরা যেন ভোট দিতে না পারে সেজন্য গণরুমের শিক্ষার্থী এবং নিজেদের লেজুরবৃত্তিক অপরাজনীতি করা নেতা-কর্মীদের দিয়ে বিশাল লাইন করানো। এতো কারচুপি, অনিয়ম, রাতভর ইঞ্জিনিয়ারি করেও নুর এবং আখতারকে হারাতে পারেনি।
সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আমাদের পুরো প্যানেল জিততো। তার অন্যতম উদাহরণ সুফিয়া কামাল, শামসুন্নাহার ও কুয়েত মৈত্রী হল।”
সোমবার দিনভর নানা অনিয়ম, অভিযোগ ও উত্তেজনার পর ডাকসু নির্বাচনে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে জয়ী হন কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতা সাধারণ শিক্ষার্থী অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের প্রার্থী নুরুল হক নুর।
সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে জয়ী হন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী।
সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে জয় পেয়েছেন ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইন।
ডাকসুর মোট ২৫টি পদের বেশির ভাগেই জয় পেয়েছে ছাত্রলীগ। ১৮টি হল সংসদের বেশির ভাগেও ভিপি-জিএস পদে জয়ী হয়েছে ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনটি।
২৮ বছর পর গতকাল সোমবার ডাকসুর ২৫টি পদের পাশাপাশি হল ছাত্র সংসদের ১৩টি পদে ভোট দেন শিক্ষার্থীরা। ভোটগ্রহণের পর গণনা শেষে একে একে হল সংসদগুলোর ফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। সব হলের ফল ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পর রাত সাড়ে ৩টার দিকে কেন্দ্রীয় সংসদ অর্থাৎ ডাকসুর ফল ঘোষণা করা হয়।
