ফিলিস্তিনের গাজায় বড় ধরনের স্থল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। গাজা সীমান্তে ইসরায়েলি ট্যাংক ও সাঁজোয়া বহরগুলোকে অবস্থান নিতে দেখা গেছে।
এদিকে যুদ্ধবিরতি উপেক্ষা করে গাজায় বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। জবাবে রকেট হামলা চালিয়েছে গাজার প্রতিরোধ যোদ্ধারাও।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম হারেৎজ জানিয়েছে, রকেট ছোড়ার জবাবে মঙ্গলবার রাতভর গাজার বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান। বুধবার সকালেও রাফা এলাকায় বিমান হামলা চালানো হয়।
তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আনাদলু এজেন্সি জানায়, গাজায় হামাসের বিভিন্ন স্থাপনার পাশাপাশি মসজিদ এবং কৃষি জমিতেও হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান। এখন পর্যন্ত গাজার ৫০০ ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
সোমবার ভোরে গাজা থেকে মধ্য ইসরায়েলের তেলআবিব শহরে দূরপাল্লার রকেট হামলা চালানো হয়। এতে মেশমেরেত এলাকার একটি বাড়ি বিধ্বস্ত হলে সাত ইসরায়েলি আহত হন।
হামলার পরপরই যুক্তরাষ্ট্র সফরে থাকা ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু শক্তিপ্রয়োগের মাধ্যমে কড়া জবাব দেওয়ার ঘোষণা দেন। সফর সংক্ষিপ্ত করে তিনি দেশে ফেরেন।
সন্ধ্যায় শুরু হয় গাজার বিভিন্ন স্থাপনায় একের পর এক ইসরায়েলি বিমান হামলা। এতে ধ্বংস হয় গাজা সরকার হামাসের পলিটব্যুরো প্রধান ইসমাইল হানিয়ার কার্যালয়। হামলার সময় সেখানে ছিলেন না হানিয়া।
সোমবার রাত ১০টার দিকে মিশরের মধ্যস্থতায় ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেয় হামাস। কিন্তু সাময়িক বিরতি দিয়ে ফের গাজায় হামাসের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালাতে শুরু করে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী।
