মুক্তিযুদ্ধের বধ্যভূমি সংরক্ষণ ও স্মৃতিসৌধ চাই

আপডেট : ২৮ মার্চ ২০১৯, ১১:৩৫ পিএম

সম্প্রতি পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানতে পারলাম দেশে একাত্তরের রাজাকারদের তালিকা তৈরির পাশাপাশি ঘাতক-দালালদের প্রতি ঘৃণা প্রকাশের জন্য ঘৃণাস্তম্ভ স্থাপনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আসলে রাজাকারের তালিকা প্রকাশ কিংবা মুক্তিযোদ্ধার তালিকা প্রকাশের চেয়ে বেশি প্রয়োজন সমাজে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা’ প্রতিষ্ঠা করা, যে স্বপ্ন নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল, সব মানুষের জন্য সেই কাক্সিক্ষত সমাজ নির্মাণ করা। আর ‘ঘৃণাস্তম্ভের’ ধারণাটি খুবই অযৌক্তিক বলে মনে হয়েছে। কেননা, দেশে একাত্তরের নৃশংসতম গণহত্যার চিহ্নিত অনেক বধ্যভূমিই এখনো যথাযথভাবে সংরক্ষণের আওতায় আসেনি। অনেক বধ্যভূমিতেই এখনো স্মৃতিসৌধ নির্মাণ

করা হয়নি। আগে মহান শহীদদের, যুদ্ধে নিপীড়িত-নির্যাতিত মানুষদের স্মৃতি সংরক্ষণ করে সেখানে স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করাটা জরুরি। যেখানে গিয়ে নবীন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধে নিজেদের পূর্বনারী-পূর্বপূরুষদের ত্যাগ-তিতিক্ষার কথা জানতে পারবে, দেশের জন্য আত্মত্যাগের সেই চেতনা থেকে শিক্ষা নেবে। যে স্মৃতিসৌধগুলো আমাদের জন্য শহীদ বেদি হয়ে উঠবে, যেখানে আমরা ফুল দিয়ে তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাব। তাই অবিলম্বে দেশের গণহত্যার স্মৃতিবিজড়িত সকল বধ্যভূমি সংরক্ষণ এবং সেখানে স্মৃতিসৌধ নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।

সোনিয়া জামান, কাটনারপাড়া, বগুড়া।      

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত