বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার বাজারে আসতে চায় যুক্তরাজ্য

আপডেট : ০৪ এপ্রিল ২০১৯, ০৮:৫৬ পিএম

বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন বলেছেন, উচ্চশিক্ষার বাজার খুলে দিতে বাংলাদেশ সরকারকে বলা হয়েছে। যাতে যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বাংলাদেশে পরিচালনা করা যায়। এতে বাংলাদেশের তরুণ ও মেধাবীরা বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষা দেশেই পাবে। বাংলাদেশের মানব সম্পদের জন্য এটা অনেক বড় অবদান হবে।

তিনি বলেন, সরকার ও মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এই বিষয় নিয়ে দেশটির পক্ষ থেকে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানের সিজসন হোটেলে এক সিম্পোজিয়ামে এসব কথা বলেন রবার্ট ডিকসন। ‘বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্ক: ভবিষ্যতের জন্য পূর্বাভাস’ শীর্ষক এই সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করেছে কসমস ফাউন্ডেশন।

ব্রিটিশ হাইকমিশনার বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সংস্কৃতিগত এবং নিরাপত্তাবিষয়ক সম্পর্কের পরিস্থিতি তুলে ধরেন।

তিনি বলেন,  ব্রেক্সিট পরবর্তী ব্রিটেনের সঙ্গে বাংলাদেশের পারস্পরিক সমঝোতা দুই দেশের বাণিজ্যের জন্য উপকার বয়ে আনবে।

বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সংস্কৃতিগত ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরে ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ-ব্রিটেন সম্পর্ক গভীর ও প্রশস্ত। দুই দেশের মধ্যে নিরাপত্তার সম্পর্কও তৈরি হয়েছে এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। জাতিসংঘ মিশনে শান্তি রক্ষায় বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ ছাড়া এই দুই দেশই মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদ দমনে পরস্পর সহযোগী হয়ে অনেক কাজ করছে।

তিনি বলেন, দুই দেশই জঙ্গিবাদ ও অস্থিরতার হুমকি সামলাতে কাজ করছে। এর অংশ হিসেবে আমরা বাংলাদেশকে মানবাধিকার, জনগণের একতা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও সুষ্ঠু নির্বাচনে সহায়তা করতে চাই।

যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন কসমস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এনায়েতুল্লাহ খান।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত