যশোরের সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো এ বছর মঙ্গল শোভাযাত্রা ও বর্ষবরণের অনুষ্ঠান করবে না। সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ঘোষণার প্রতিবাদে যশোরের সংস্কৃতি অঙ্গনের নেতারা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার রাতে তারা অনানুষ্ঠানিক এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেন।
নেতারা বলেন, পহেলা বৈশাখ বাঙালির প্রাণের উৎসব। আর এ উৎসবকে বন্ধ করে দেওয়ার জন্য ধর্মান্ধ মৌলবাদী গোষ্ঠী চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। সেই চ্যালেঞ্জকে মোকাবিলা করার জন্য সংস্কৃতিকর্মীরা নিরন্তর আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন, যা মুক্তিযুদ্ধের সরকারের জন্য সহায়ক। অথচ সরকার প্রতিক্রিয়াশীল চক্রটিকে মোকাবিলা না করে বর্ষবরণের অনুষ্ঠানকে শৃঙ্খলিত করার যে অপকৌশল গ্রহণ করেছে, যশোরের সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ এমন হঠকারী সিদ্ধান্তের শুরু থেকেই তার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে। কিন্তু তা উপেক্ষিত থাকায় প্রতিবাদ হিসেবে এবার পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা ও বিকেলের সকল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান স্থগিত করা হলো।সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি ডি এম শাহিদুজ্জামান, সহসভাপতি তরিকুল ইসলাম তারু ও ফারাজী আহমেদ সাঈদ বুলবুল, সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার আলম খান দুলু প্রমুখ।
