ইয়াজিদি শিশুকে পানির পিপাসায় হত্যা, আইএস নারী অভিযুক্ত

আপডেট : ০৯ এপ্রিল ২০১৯, ০৪:১৮ পিএম

পাঁচ বছর বয়সী একটি মেয়েকে পিপাসায় মেরে ফেলার অভিযোগে মঙ্গলবার এক জার্মান নারীর বিচার শুরু হয়েছে। ওই নারী জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটে (আইএস) যোগ দিয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।

বিবিসি জানায়,  ২৭ বছর বয়সী জার্মান নারী জেনিফার ডব্লিউ ও তার স্বামী ইয়াজিদি শিশুটি ও তার মাকে দাসী হিসেবে কিনেছিল। ২০১৫ সালে আইএস বাহিনী ইরাকের মসুল দখল নিলে তারা শহরটিতে থাকতেন।

প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, জেনিফারের স্বামী শিশুটিকে ঘরের বাইরে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখতো। একপর্যায়ে সে অসুস্থ হয়ে গেলেও তাকে বাঁচাননি জেনিফার। প্রচণ্ড গরমে, ক্ষুধা ও পানি পিপাসায় মেয়েটি মারা যায়।

মঙ্গলবারে মিউনিখের একটি আদালতে ওই নারীর বিচার শুরু হবে। জেনিফারের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ, হত্যা, সন্ত্রাসী সংগঠনের সদস্য হওয়া ও অস্ত্র রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে পারে তার।

লন্ডনভিত্তিক প্রখ্যাত মানবাধিকার আইনজীবী আমাল ক্লুনি ওই ইয়াজিদি শিশুটির মায়ের পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী দলের একজন সদস্য। তবে এদিন তিনি উপস্থিত থাকবেন না বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, জেনিফার অষ্টম গ্রেডে পড়াকালীন স্কুল ত্যাগ করে। ২০১৩ সালে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। পরের বছরের আগস্ট মাসে তুরস্ক ও সিরিয়া হয়ে ইরাকে তিন যায় এবং আইএসে যোগ দেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত