জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করার প্রতিবাদে কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ হয়েছে।
বুধবার বিকেলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে হ্যান্ডবল খেলতে গিয়ে ইবির সাবেক প্রক্টর, ক্রীড়া বিভাগের পরিচালকসহ নয় খেলোয়াড় রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত হয়। আহতদের মধ্যে রাব্বির হাত এবং ইমনের কোমর ভেঙে গেছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে এক ঘণ্টা কুষ্টিয়া ও খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা এই হামলার দ্রুত বিচার দাবি করে অবরোধ তুলে নেয়। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিচার না হলে তারা আবারো মহাসড়ক অবরোধের হুমকি দেয়।
বুধবার বিকেল ৪টায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় মাঠে ইবি ও জাবির খেলা শুরু হয়। বঙ্গবন্ধু আন্তবিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপে হ্যান্ডবলের সেমিফাইনাল ম্যাচ ছিল এটি। খেলা চলাকালীন ৩ পয়েন্টে এগিয়ে থাকা ইবি’র খেলোয়াড়দের বারবার ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিচ্ছিল জাবির খেলোয়াড়রা। তবে এ সময় রেফারি তাদের কোনো ফাউল দেয়নি। পরে আবারো আরেক প্লেয়ারকে ফেলে দেওয়ায় প্রতিবাদ জানালে জাবি টিম আক্রমণ করে বসে। এ সময় বাইরে থেকে অন্য শিক্ষার্থীরা রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে ইবির খেলোয়াড়দের ওপর হামলা চালায়।
এ হামলায় ইবির সাবেক প্রক্টর ড. মাহবুবর রহমান, শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক ড. মো. সোহেল, প্রশিক্ষক শাহালম কোচি, খেলোয়াড় ইমন, রাব্বি, আশিক, শিমুল, সাকিব, হৃদয়, সালমান, দ্বীপন, জাকারিয়া, শোভন, সালভি, সৌরভ গুরুতর আহত হয়।
আগে শুক্রবার ইবির খেলোয়াড়দের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে।
