পাকিস্তানি পাইলটদের প্রশিক্ষণে উদ্বিগ্ন ভারত

আপডেট : ১১ এপ্রিল ২০১৯, ০১:৫৯ পিএম

কাতারের বিমানবাহিনীর হাতে থাকা রাফাল যুদ্ধবিমানের সাহায্যে নিজেদের পাইলটদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে পাকিস্তান। ২০১৭ সালের নভেম্বরে ফ্রান্সের মাটিতে চলা এই প্রশিক্ষণের খবরে উদ্বিগ্ন ভারত।

আনন্দবাজার পত্রিকা জানায়, এ সংক্রান্ত সদ্য প্রকাশিত একটি রিপোর্টে উদ্বেগ বেড়েছে ভারতের। কারণ, অত্যাধুনিক এ যুদ্ধবিমানের সাহায্যেই পাকিস্তানের সঙ্গে লড়াইয়ে নিজেদের এগিয়ে রাখার পরিকল্পনা ছিল ভারতের।

ভারতের মতোই ফ্রান্সের কাছ থেকে রাফাল কিনতে চুক্তিবদ্ধ কাতার। এ বিমানের প্রস্তুতকারক দাসোঁ অ্যাভিয়েশনের তরফে প্রকাশিত প্রেস বিবৃতিতে বলা হয়, ২০১৫ সালে ফ্রান্সের কাছ থেকে ২৪টি যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তি করে কাতার। ২০১৭ সালে কাতার আরও ১২টি রাফাল যুদ্ধবিমান কিনতে নতুন চুক্তি করে ফ্রান্সের সঙ্গে।

সেই যুদ্ধবিমান চালানোর জন্য প্রশিক্ষণ নিতেই কাতার থেকে ফ্রান্সে গিয়েছিল পাইলটদের একটি দল। সেই দলে ছিল পাকিস্তানি পাইলট।

তবে ভারতে থাকা দাসোঁ অ্যাভিয়েশনের কর্মকর্তারা এনডিটিভিকে জানান, কাতার বিমানবাহিনীর হয়ে পাকিস্তানি পাইলটরা রাফাল ওড়াতে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, এই রকম কোনো খবর তাদের কাছে নেই।

চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে ভারতে আসতে চলেছে রাফাল যুদ্ধবিমান। তার আগেই পাকিস্তানি পাইলটরা এই বিমান উড়ানোর প্রশিক্ষণ নিয়ে ফেললে তা যথেষ্ট উদ্বেগের ভারতের কাছে।

ভারত নিজেদের পছন্দ মতো বেশ কিছু অদলবদল করার পরই এ বিমান কিনতে সম্মত হয়েছে। তবে এই বিমানের রাডার ব্যবস্থা দুই দেশের ক্ষেত্রে একই। অত্যাধুনিক এই রাডার ব্যবস্থা থাকলে বিমান উড়ানোর সময়েই পাইলট টের পেয়ে আকাশের বা সমুদ্রের কোথায় বিপদ লুকিয়ে আছে বা কোন জায়গা থেকে আঘাত হানার প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রতিপক্ষ।

মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বরাবরই সামরিক সহযোগিতার সম্পর্ক রয়েছে পাকিস্তানের। এই অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে মোতায়েনও থাকেন পাকিস্তানি সেনা।

জর্ডানের মতো দেশের কাছ থেকে সরাসরি সামরিক সহযোগিতা পেয়ে থাকে পাকিস্তান। কিছুদিন আগেই ইসলামাবাদকে ১৩টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান দিয়েছিল জর্ডান। বালাকোটে ভারতীয় বিমানবাহিনীর অভিযানের পর নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে যে যুদ্ধবিমানগুলো ভারতের আকাশে হামলা চালাতে এসেছিল, তার মধ্যে জর্ডানের দেওয়া যুদ্ধবিমানও থাকতে পারে, এমনটাই অনুমান বিশেষজ্ঞদের।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত