সপ্তাহ কয়েক আগে প্রকাশ হওয়া অজয় দেবগনের ‘দে দে পেয়ার দে’র ট্রেলার নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে বলিউডে। কারণ এ সিনেমায় অভিনয় করেছেন ধর্ষণে অভিযুক্ত আলোক নাথ। নানা পক্ষের সমালোচনার কারণে এবার মুখ খুলেছেন অজয়।
২০১৮ সালের ৮ অক্টোবর ফেসবুকে চিত্রনাট্যকার বিনতা নন্দা অভিযোগ করেন, অলোক নাথ একাধিকবার তাকে যৌন নিগ্রহ করেছেন। ১৭ অক্টোবর অভিনেতার বিরুদ্ধে ওশিয়ারা পুলিশ স্টেশনে অভিযোগও দায়ের করেন তিনি। এমনকি অলোককে বলিউডে বয়কট করা হয়।
পরে অভিনেত্রী সন্ধ্যা মৃদুল, দীপিকা আমিন ও কয়েকজন অলোকের লালসার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন।
বলিউডে হালের ‘মিটু আন্দোলন’ সূচনা হয় নানা পাটেকরের বিরুদ্ধে অভিনেত্রী তনুশ্রী দত্তর অভিযোগ দিয়ে। ‘দে দে পেয়ার দে’ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এর থেকেই বোঝা যায় বলিউডে কত মিথ্যাবাদী, এবং মেরুদণ্ডহীন প্রতারক রয়েছেন। আর হ্যাঁ, কথা হচ্ছে অজয় দেবগনের।”
নায়িকার অভিযোগ, অজয় ও নির্মাতা চাইলে অলোককে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে দিয়ে ছবির দৃশ্যগুলো আবার করাতে পারতেন।
এ নিয়ে অজয় বলেন, “যখন মিটু আন্দোলন শুরু হয়, বহু সহকর্মীর সঙ্গে একজোট হয়ে জানিয়েছিলাম আমি কর্মক্ষেত্রে সব নারীকে শ্রদ্ধা করি এবং তাদের প্রতি কোনো অন্যায় হলে কোনোভাবেই তা মেনে নেব না। আমার সেই কথার কিন্তু এখনো বদল হয়নি।”
অলোক নাথের সঙ্গে কাজ প্রসঙ্গে বলেন, “ছবিটি ২০১৮ সালে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। গত সেপ্টেম্বরেই ছবির সমস্ত শুটিং শেষ হয়ে গিয়েছে। অলোক নাথের দৃশ্যগুলো আগস্টে মানালিতে শুট হয়েছে। সেই দৃশ্যগুলো প্রায় ৪০ দিন ধরে একাধিক সেটে করা হয়েছে। সঙ্গে ছিলেন আরও ১০ অভিনেতা। অক্টোবরে যখন অভিযোগ সামনে আসে তখন সব অভিনেতাই অন্য ছবির কাজ শুরু করে দিয়েছেন। তাই নতুন করে সময় বের করা এবং সবাইকে নিয়ে রিশুট করা সত্যিই অসম্ভব ছিল এবং তা অত্যন্ত খরচসাপেক্ষও। তাই রিশুটের সিদ্ধান্ত কখনোই আমার একা হতে পারে না।”
অবশ্য অজয়ের আত্মপক্ষ সমর্থনের পরও বিতর্ক থামেনি। এ নায়কের সমালোচনা করে টুইট করেছেন কঙ্গনা রনৌতের বোন রঙ্গোলি।
