অসম প্রেমের টানে চুয়াডাঙ্গায় মার্কিন নারী, ইসলাম গ্রহণ

আপডেট : ২০ এপ্রিল ২০১৯, ০৭:৩৩ পিএম

বাংলাদেশি তরুণের বয়স ২৭ আর মধ্যবয়সী মার্কিন নারীর বয় ৫২। তবু প্রেমের টান বলে কথা। বয়স ও সীমানার সব বাঁধন টুটে মার্কিন নারী ছুটে এসেছেন বাংলাদেশে। 

মধ্যবয়সী মার্কিন নারী আসা ডংসন লংয়ের সঙ্গে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার বনানীপাড়ার সোনালী ব্যাংক কর্মচারী শাহাবুল হোসেনের ছেলে ফয়সাল আহমেদের (২৭) এ প্রেম এখন আলোচিত বিষয়। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে তাদের পরিচয় হয়। পরিচয় থেকে বন্ধুত্ব, প্রেম। তারপর ফয়সাল আহমেদের কাছে ছুটে আসেন ডংসন লং। সেই সঙ্গে বিয়ে করেন এই যুগল। পাশাপাশি মুসলমান হন ডংসন লং। তার বর্তমান নাম মরিয়ম খাতুন।

তবে শনিবার বিকেলে ফয়সাল আহমেদের বাড়িতে গিয়ে নবদম্পতিকে পাওয়া যায়নি। প্রতিবেশী ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ফয়সালের স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। তাই কাউকে কিছু না জানিয়ে মার্কিন তরুণীকে বিয়ে করে পালিয়ে যান ফয়সাল।

১৩ এপ্রিল প্রেমিক ফয়সালকে সঙ্গে নিয়ে চুয়াডাঙ্গা জজ আদালতে গিয়ে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে মুসলমান হয়ে নাম পরিবর্তন করেন ডংসন লং। মরিয়ম খাতুন নামে ১০ হাজার টাকা দেনমোহরে ফয়সালকে বিয়ে করেন তিনি। 

বিয়ের পর উধাও হয়ে যান তারা। বর্তমানে তারা কোথায় আছেন জানেন না কেউ।

এলাকাবাসী জানান, ফয়সাল হয়তো যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার জন্য ওই মধ্যবয়সী নারীকে বিয়ে করেছেন। কয়েক দিন ধরে ফয়সালকে এলাকায় দেখা যায়নি। 

চুয়াডাঙ্গা জেলা জজ আদালতের নোটারি পাবলিকের অ্যাডভোকেট এসএন এ হাশেমী বলেন, মধ্যবয়সী এক মার্কিন নারীর সঙ্গে ফয়সাল নামে এক যুবকের বিয়ে হয়েছে। তারা নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে বিয়ে করেছেন।

তবে এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে কোনো কিছু বলতে রাজি হননি ফয়সালের বাবা শাহাবুল হোসেন। ফয়সালের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও রিসিভ করেননি তিনি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত