সোনাইমুড়ি থানার নদোনা ইউনিয়নের শিবপুর নতুন বাড়ির ভিকটিম (১৫) ধর্ষণ মামলার ১ আসামি গ্রেপ্তার, জুডিসিয়াল আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি, অন্য ধর্ষক পলাতক।
ধর্ষণের শিকার কিশোরীর মা জানান, গত রবিবার রাত ৯টায় তার মেয়ে (১৫) প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া দিতে ঘরের পেছনের টয়লেটে গেলে দক্ষিণ হাটগাঁও গ্রামের ছিদ্দিক উল্যার ছেলে আলমগীর (৩০) ও তার সহযোগী রাসেল (৩০) পিতা অজ্ঞাত, তার মেয়েকে জোরপূর্বক অপহরণ করে পার্শ্ববর্তী মাঠে নিয়ে উপর্যুপরি ধর্ষণ করে।
দীর্ঘ সময় ঘরে ফিরে না আসায় মেয়েকে খুঁজতে বাইরে গিয়ে না পেয়ে আশেপাশে খোঁজা শুরু করেন। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে পার্শ্ববর্তী মাঠে গিয়ে মেয়েকে উলঙ্গ অবস্থায় মাঠে পড়ে থাকতে দেখেন।
ধর্ষণের শিকার কিশোরী জানায়, আসামিরা তাকে মুখ চেপে ধরে মাঠে নিয়ে যায় এবং তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখম করে। উপর্যুপরি ধর্ষণের ফলে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়।
সোমবার ভিকটিমের মা বাদী হয়ে সোনাইমুড়ি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর সোনাইমুড়ি থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে বাংলাবাজর এলাকা থেকে ধর্ষক আলমগীর হোসেন (৩০) কে গ্রেপ্তার করে।
এরপরে নোয়াখালী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নবনীতা গুহের আদালতে ধর্ষক আলমগীর দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে। এরপর আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণ করেন।
সোনাইমুড়ি থানার ওসি আবদুস সামাদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বাদী থানায় আসার পরপরই মামলা রেকর্ড হয় এবং সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে ধর্ষককে গ্রেপ্তার করে। বিচারিক হাকিমের নিকট ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করানো হয়। অন্য ধর্ষককে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
