নোয়াখালী শহরে গত ১২ মে বিকেলে শতাধিক গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় ছয় শতাধিক ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে চারটি মামলা করা হয়েছে। মামলার পর দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, আওয়ামী লীগের তৃণমূল কর্মী সমাবেশ শেষে জেলা শহরে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় বিআরটিসির দোতলা বাসের ড্রাইভার কামাল হোসেন, নোয়াখালী পৌরসভার পিকআপ ড্রাইভার ইকবাল হোসেন, বাঁধন পরিবহনের মালিক আবদুর রাজ্জাক, সুগন্ধা পরিবহনের বাস ড্রাইভার দিলদার মিয়া বাদী হয়ে চারটি মামলা করেছেন। এসব মামলায় যুবলীগ-ছাত্রলীগের ছয় শতাধিক নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবলীগকর্মী আবু সাঈদ ও রিপনকে গ্রেপ্তার করে গতকাল সোমবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
মামলায় উল্লেখ করা হয়, বর্তমান সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শিহাব উদ্দিন শাহীন, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক এ কে এম শামছু উদ্দিন জেহানের নাম চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রে পাঠানোর সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে জেলা যুবলীগ আহ্বায়ক ইমন ভট্টের সমর্থকরা শতাধিক গাড়ি ভাঙচুর করে শহরে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।
