ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে কোথাও ‘কারচুপি’র প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে তদন্ত কমিটি।
ডাকসু নির্বাচনের অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে গঠিত কমিটির পক্ষ থেকে বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
ভবিষ্যতে ডাকসু নির্বাচনকে আরো গ্রহণযোগ্য করার পরামর্শ দিয়েছে এই কমিটি। ব্যালট পেপারে নম্বর থাকা ও ভোটারদের হাতে অমোচনীয় কালি ব্যবহারের ব্যাপারে সুপারিশ করা হয়েছে।
সিন্ডিকেট বৈঠকে উপস্থিত একজন সিনিয়র সদস্য সাংবাদিকদের এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সিন্ডিকেট সদস্য ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হুমায়ূন কবির জানান, নির্বাচনের দিন কোনো শিক্ষার্থী ভোট দিতে পারেনি এ রকম কোনো লিখিত অভিযোগ নেই। কেউ বলেনি যে, সময় শেষ বা বাধার সম্মুখীন হয়েছে।
তিনি জানান, ভোটকেন্দ্রের ভেতরে কোনো ঝামেলা হয়েছে বলেও তথ্য পাওয়া যায়নি। হলের ভেতরে কোনো বিশৃঙ্খলা হয়েছে বলে তদন্ত কমিটির চোখে পড়েনি। শুধু ভোটারদের সারির ক্ষেত্রে একটু অব্যবস্থাপনা হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন এটা না হয়, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
ডাকসু নির্বাচনের পর বিভিন্ন সংগঠনের অভিযোগের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আট সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। গণিত বিভাগের সংখ্যাতিরিক্ত অধ্যাপক সাজেদা বানুকে আহ্বায়ক করে এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ৪২ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অ্যাকাডেমিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এদের ৪১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে অ্যাকাডেমিক শাস্তি এবং একজনকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়।
