একাদশ জাতীয় সংসদ ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ‘মিনিমাম ভায়োলেন্স’ হয়েছে জানিয়ে একে নিজেদের সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন বিদায়ী নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে হেলালুদ্দীন আহমদ তার নিজ বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এমন কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমি আসার পরই আমাদের সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জটি ছিল জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন করা। আল্লাহর রহমতে এবং সবার সহযোগিতায় আমরা সেটি করতে সক্ষম হয়েছি। মিনিমাম ভায়োলেন্সের মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে’।
সাবেক হওয়া ইসি সচিব বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনারবৃন্দ যেভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন, পরামর্শ দিয়েছেন, তাদের নির্দেশনা, পরামর্শ এবং তাদের দেখানো পথে এবং আপনাদের সবার সহযোগিতায় আমরা জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন করতে পেরেছি।’
তিনি বলেন, দলীয় সরকারের অধীনে সব রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণে শান্তিপূর্ণভাবে সুসম্পন্ন করা, এটা কিন্তু নির্বাচন কমিশনের সামনে একটা চ্যালেঞ্জ ছিল’।
‘আপনারা খেয়াল করে দেখবেন অতীতে কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে অথবা সামরিক শাসনামলে অথবা রাজনৈতিক দলের অধীনে নির্বাচন হয়েছে বটে কিন্তু তাতে সব রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করেনি’।
হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, ‘এমনকি ৭০ সালে যে নির্বাচন হয়েছিল সেই নির্বাচনেও সব রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করেনি’।
‘প্রথমবারের মতো একটি গণতান্ত্রিক-রাজনৈতিক দলের অধীনে সব রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণই করেনি, মিনিমাম ভায়োলেন্সের মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে। এরপরই চারটি ধাপে উপজেলা নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির হার যত কমই হোক না কেন কিন্তু শান্তিপূর্ণভাবে এ নির্বাচনটা করতে আমরা সক্ষম হয়েছি’।
ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচনে আমরা যদি ইভিএম ব্যবহার করতে পারি, তাহলে নির্বাচনকেন্দ্রীক যে সহিংসতা এবং নির্বাচনকেন্দ্রীক মানুষের মধ্যে যে ভয়ভীতি সেটা অনেকাংশে কমে আসবে।
