বিএনপির নেতাকর্মীসহ অনেকে ঈদের আগে খালেদা জিয়ার মুক্তি চাইলেও এ ব্যাপারে সরকারের কিছু করার নেই বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
সোমবার সচিবালয়ের কনফারেন্স রুমে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে এমনটা জানান তিনি।
এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, “খালেদা জিয়াকে বন্দি করেছে আদালত। মুক্তি দেওয়ার বিষয়টিও আদালতের। এক্ষেত্রে সরকারের কিছুই করার নেই।”
তিনি বলেন, “বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল। খালেদা জিয়া তিন বারের প্রধানমন্ত্রী। উনি এখন বন্দি। উনার মুক্তির বিষয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে আন্দোলন কর্মসূচি দেওয়া তাদের রাজনৈতিক অধিকার। কিন্তু এতদিনেও তারা কি এমন কোনও কর্মসূচি দিতে পেরেছে, যা সরকার বা আদালতের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে?”
পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ও আচরণ রাজনৈতিক সৌহার্দ্যের পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলে মনে করেন সেতুমন্ত্রী।
তিনি বলেন, “লাগামহীন বক্তব্য এবং ‘শব্দবোমা’ রাজনৈতিক বিদ্বেষ সৃষ্টি করে, যা পারস্পরিক সম্পর্ককে দূরে ঠেলে দেয়। রাজনীতিবিদদের গরম কথা, বক্তব্য নিজেদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটায়। এগুলো সহনীয় পর্যায় থাকলে রাজনৈতিক সৌহার্দ্য বাড়বে।”
ওবায়দুল কাদের বলেন, “আমি আওয়ামী লীগ করি বলে বিএনপির কোনও নেতার জানাজায় যেতে পারবো না, এটি ঠিক নয়। যদিও এই কালচার অনেকটা ঘুচে এসেছে। আমি অসুস্থ হওয়ার পর বিএনপির অনেক নেতা আমাকে হাসপাতালে দেখতে গেছেন।”
