একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে প্রথম দফায় আবেদন করা শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। প্রথম ধাপে সারাদেশে মোট ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৮৬৬ জন পছন্দের কলেজে ভর্তির জন্য মনোনীত হয়েছেন।
তবে আবেদন করেও ভর্তি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন ৯৭ হাজার ৮১০ জন ভর্তিচ্ছু।
তার মধ্যে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী ৪ হাজার ৫৭২ জন।
রোববার রাতে সকল শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল দেখতে পাচ্ছেন।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড ও ঢাকা শিক্ষাবোর্ড থেকে জানা গেছে, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য সারাদেশে মোট ১৪ লাখ ১৫ হাজার ৮৭৬ জন আবেদন করেন। তার মধ্যে মোট ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৮৬৬ জন তাদের পছন্দের কলেজে ভর্তির জন্য মনোনীত হয়েছেন।
অন্যদিকে পছন্দের কলেজে আবেদন করেও ভর্তির সুযোগ থেকে যারা বঞ্চিত হয়েছেন তাদের সংখ্যা ৯৭ হাজার ৮১০ জন।
জানা গেছে, ভর্তি বঞ্চিতদের মধ্যে ঢাকা বোর্ডে ১ হাজার ৮৪৩ জন। রাজশাহী বোর্ডে ১ হাজার ২৪৩ জন, কুমিল্লা বোর্ডে ৫২৩ জন শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য কোনো কলেজে মনোনীত হননি।
একইভাবে সব শিক্ষা বোর্ডেই ভর্তি বঞ্চিতের সংখ্যা রয়েছে।
আবেদনকারীরা রোল নম্বর, বোর্ড, পাসের বছর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে তিনি কোন কলেজে ভর্তির সুযোগ পাবেন তা জানতে পারছেন।
মোবাইলের মাধ্যমেও একাদশে ভর্তিচ্ছুদের ফল জানানো হবে। ভর্তির জন্য মনোনয়ন পাওয়া কলেজের নাম সোমবার (১০ জুন) মধ্যরাতের পর থেকে এসএমএসের মাধ্যমে ভর্তিচ্ছুদের জানিয়ে দেওয়া হবে।
তবে প্রথম ধাপে যে সব শিক্ষার্থীরা ভর্তির জন্য মনোনীত হননি তারা দ্বিতীয় ধাপে আবারো আবেদন করার সুযোগ পাবেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক ড. হারুন অর রশিদ।
তিনি বলেন, ‘সারাদেশে পর্যাপ্ত আসন রয়েছে, কেউ এক ধাপে ব্যর্থ হলে পরের ধাপে আবেদন করতে পারবে। তবে প্রথম ধাপে শীর্ষমানের কলেজগুলোতে আসন পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় অনেকে ভালো ফল করেও সেসব কলেজে ভর্তির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে।’
ভর্তি নীতিমালায় বলা হয়েছে, প্রথম দফায় মনোনীতদের ১১ জুন থেকে ১৮ জুনের মধ্যে ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে। আর এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে টেলিটক বা মোবাইল ব্যাংকিং রকেট ও শিওর ক্যাশের মাধ্যমে বোর্ডের রেজিস্ট্রেশন ফি ১৯৫ টাকা ফি পরিশোধ করতে হবে।
এই প্রক্রিয়ায় ভর্তি নিশ্চিত না করলে মনোনয়ন বাতিল হয়ে যাবে। তার আবেদনটিও বাতিল হয়ে যাবে।
