দুধে ক্ষতিকারক কোনো ধাতু পাওয়া যায়নি: কৃষিমন্ত্রী

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০১৯, ০৫:৫৫ পিএম

দেশে উৎপাদিত পাস্তুরিত-অপাস্তুরিত দুধে সিসা, ক্রোমিয়াম কিংবা সালফা ড্রাগের মতো ভারী ধাতুর উপস্থিতি পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক। 

তিনি বলেন, ‘মোট ১৬টি নমুনার মধ্যে মিল্কভিটায় সহনীয় মাত্রায় ১০ মাইক্রোগ্রামের নিচে স্ট্রেপ্টোমাইসিন ও প্রাণের দুধে সহনীয় মাত্রায় শূন্য দশমিক শূন্য ৬ মাইক্রোগ্রাম ক্লোরামফেনিকল পাওয়া গেছে। অন্য কোনো দুধেই অ্যান্টিবায়োটিকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। ভারতের চেন্নাইয়ের আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন এসজিএস ল্যাবরেটরি থেকে দুধের নমুনা পরীক্ষা করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।’ 

বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘গবেষণালব্ধ ফল বিশ্লেষণে নিশ্চিতভাবে বলা যায়, দেশীয় প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত দুধে কোনও প্রকার স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ নেই।’ 

তিনি বলেন, ‘জনমনে অস্থিরতা দূর করতে দুধে অ্যান্টিবায়োটিক, সালফা ড্রাগের মতো ভারী ধাতুর অবশিষ্টাংশের উপস্থিতি বিশ্লেষণের জন্য পুষ্টি ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল উদ্যোগ নেয়। সেই পরিপ্রেক্ষিতে দেশের মিল্কভিটা, আড়ং, ফার্ম ফ্রেস, ইগলু, আরডি, সাভার ডেইরি, প্রাণ দুধ ও অপাস্তুরিত দুধের ১৬টি নমুনা সংগ্রহ করে তাতে কোনো অ্যান্টিবায়োটিক আছে কি না পরীক্ষা করা হয়। রাজধানীর মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, গুলশান ও ফার্মগেট এলাকা থেকে পাস্তুরিত দুধের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। অপাস্তুরিত দুধের নমুনা সংগ্রহ করা হয় সাভারের রাজাসন খামারিদের কাছ থেকে।’

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘স্ট্রেপ্টোমাইসিনের সহনীয় মাত্রা প্রতিকেজিতে ২০০ মাইক্রোগ্রাম। আর প্রাণ কোম্পানির প্রাণ দুধে শূন্য দশমিক শূন্য ৬ মাইক্রোগ্রাম পাওয়া গেছে। দুধের ক্ষেত্রে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর প্রকার কিছু মাত্রা পাওয়া যায়নি।’ 
তিনি বলেন, ‘বিশ্লেষণ করা নমুনায় কোরনা প্রকার অ্যান্টিবায়োটিকের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।’

খাদ্যবিষয়ক আতঙ্ক বা বিভ্রান্তি এড়াতে বিভিন্ন পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণে পরীক্ষা ও ফল প্রাপ্তির জন্য আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য মানসম্পন্ন এক্রিডিটেট ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা এখন সময়ের দাবি বলেও কৃষিমন্ত্রী মনে করেন। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত