সিটি করপোরেশনের ডেঙ্গু প্রতিরোধ সাইনবোর্ডের নিচেই মশার আস্তানা

আপডেট : ০৪ আগস্ট ২০১৯, ০৬:৫০ পিএম

নারায়ণগঞ্জে সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে স্থাপিত ডেঙ্গু সচেতনতার সাইনবোর্ডের নিচেই ময়লার ভাগাড়। যা হয় উঠেছ মশার আস্তানা।

একে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে নগরবাসীর সঙ্গে তামাশা বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় বইছে এ নিয়ে।

জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ৪নং ওয়ার্ড শিমরাইল মোড়ে ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া রোগবিষয়ক সচেতনতামূলক বিশাল সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। সিদ্ধিরগঞ্জের ডেমরা রোডের শিমরাইল মোড়ে অবস্থিত রহমতউল্লাহ সুপার মার্কেটের পাশে সাইনবোর্ডটি স্থাপন করা হলেও এর নিচে মশার প্রজননকেন্দ্র তথা বিশাল ময়লার ভাগাড় আগের মতোই আছে।

নজরুল ইসলাম বাবুল নামে স্থানীয় এক সাংবাদিক তার ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করার পর এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়।

একরামুল হক নামে একজন মন্তব্য করেন, ‘সাইনবোর্ডের পাশেই রোগের হাটবাজার’।

তবে শুধু সাইনবোর্ড নিয়ে নয়, ডেঙ্গু প্রতিরোধে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কার্যক্রম নিয়েও জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। শহর, বন্দর, সিদ্ধিরগঞ্জে মাত্র ১৬ জন কর্মী ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাঠে নামিয়েছে তারা।

বিভিন্ন ওয়ার্ডের বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেছেন, নারায়ণগঞ্জে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আশংকাজনক হলেও সিটি করপোরেশনের কোনো মাথাব্যাথা নেই যেন। শুধু সাইনবোর্ডেই সীমাবদ্ধ তাদের কার্যক্রম। কিছু এলাকায় ছোট ছোট কীটনাশক ছিটানোর মেশিন দিয়ে ঔষধ ছিটানো হলেও অধিকাংশ এলাকায় সিটি করপোরেশনের লোকের দেখা মেলেনি। 

এ ব্যাপারে সিটি করপোরেশনের স্যানিটেশন কর্মকর্তা আলমগীর হিরন দেশ রূপান্তরকে বলেন, প্রথমে ডেঙ্গু প্রতিরোধ নিয়ে ২৭ ওয়ার্ডে ১৬ জন কর্মী থাকলেও বর্তমানে তা বাড়িয়ে ২২ জনে করা হয়েছে।

তবে নগরীর ৪নং ওয়ার্ডের শিমরাইল মোড়ে ময়লার ভাগাড়ের পাশে সাইনবোর্ড স্থাপনের বিষয়টি জানেন না উল্লেখ করে আলমগীর হিরন বলেন, এ ধরনের কিছু হয়ে থাকলে এখনি ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আরিফুল হক হাসানকে প্রশ্ন করা হলে তিনিও এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত