ঢাকা-ভৈরব-ময়মনসিংহ রেলপথের শিবপুর এলাকা থেকে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে নিহত সীমা আক্তার শিমুল (৩০) নামের এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে রেলওয়ে পুলিশ।
তিনি শিবপুর গ্রামের মরহুম রজব আলীর মেয়ে এবং উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের সৌদী আরব প্রবাসী মো. তাজুল ইসলামের স্ত্রী। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন বলে জানায় তার পরিবার।
পুলিশ জানায়, বুধবার সকালে রেললাইনের ওপর সীমার খণ্ডিত লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয় লোকজন। খবর পেয়ে ভৈরব রেলওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক মো. সূরুজ্জামান ঘটনাস্থলে এসে সীমার লাশ উদ্ধার করেন। এ সময় লোকমুখে খবর পেয়ে তার বড় ভাই আব্দুস সালাম বোনের লাশ শনাক্ত করেন।
এ সময় তিনি জানান, তার বোন বেশ কয়েক বছর যাবৎ মানসিক ভারসাম্যহীন। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকবার আত্মহননের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়। ভোরে পরিবারের লোকজনের অগোচরে বাড়ি থেকে বের হয়ে আসে এবং ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে মারা যায়। লোকমুখে বোনের মৃত্যুর খবর পেয়ে তিনি এখানে ছুটে আসেন।
ভৈরব রেলওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক মো. সুরুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে পরিবারের পক্ষ থেকে বিনা ময়নাতদন্তে লাশ হস্তান্তরের লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নিহতের ভাই আব্দুস সালামের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ভৈরব রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মজিদ পিপিএম দেশ রূপান্তরকে জানান, নিহতের পরিবারের লিখিত আবেদনে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার অনুমতিক্রমে বিনা ময়নাতদন্তে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে ভৈরব রেলওয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
