মাত্র চল্লিশ বছরের মধ্যে পৃথিবীর বনভূমি অর্ধেক প্রাণীবৈচিত্র্য হারিয়ে গেছে বলে দাবি করেছেন পরিবেশ সংরক্ষণ কর্মীরা।
দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট জানায়, জলবায়ু বিপর্যয়ের সঙ্গে প্রতিনিয়ত লড়াই করতে থাকা বনভূমির এই সব প্রাণী-জীবজন্তুর ধ্বংসের পেছনে রয়েছে মানুষ।
ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ড ফান্ড (ডব্লিউডব্লিউএফ) এক প্রতিবেদনে মানুষকেই পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক এই সম্পদ ধ্বংসের জন্য দায়ী করা হয়েছে।
এমন ঘটনায় দাতব্য সংস্থাটি এই পৃথিবীর জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণার আহ্বান জানান বিশ্বনেতাদের প্রতি।
জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ, প্রকৃতিকে পুনরুদ্ধার এবং এর বাস্তুসংস্থান ব্যবস্থা সংস্কার করতে ‘প্রকৃতি ও মানুষের জন্য নতুন একটি চুক্তি’ করার আহ্বান জানায় তারা
প্রতিবেদনটিতে দেখা যায়, বনভূমি উজাড় হয়ে যাওয়ার ফলে জীববৈচিত্র্যও বিলুপ্ত হওয়ার হুমকিতে রয়েছে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় রেইনফরেস্ট অ্যামাজন। সেখানকার জীববৈচিত্র্য আশঙ্কাজনকভাবে হুমকির মুখে পড়েছে।
পরিবেশ বিজ্ঞানী ও গবেষকদের মতে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারো দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে, আমাজন ক্রমান্বয়ে ক্ষতির মুখোমুখি হচ্ছে।
তার সরকারের নীতিতে, পরিবেশ সংরক্ষণের চাইতে উন্নয়নকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বেশি।
ব্রাজিলের মহাকাশ সংস্থার তথ্য থেকে জানা যায়, গত বছরের জুনে অ্যামাজনে যে পরিমাণ বনভূমি ধ্বংস করা হয়েছিল, এ বছরের জুনে এসে সেই হার বৃদ্ধি পেয়েছে ৮৮ শতাংশ।
