কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌরুটে কর্মস্থলমুখী যাত্রীদের ভিড়

আপডেট : ১৮ আগস্ট ২০১৯, ০১:৫৪ পিএম

ঈদের ছুটি শেষে রবিবার প্রথম কর্মদিবসেও কাঁঠালবাড়ি-শিমুলিয়া নৌরুট হয়ে ঢাকাসহ কর্মস্থলমুখো যাত্রীদের ভিড় রয়েছে। আকাশ মেঘলা থাকায় লঞ্চ ও স্পিডবোটের সঙ্গে ফেরিতেও যাত্রীদের ভিড় দেখা গেছে। তবে কাঁঠালবাড়ি ঘাটে যানবাহনের তেমন চাপ নেই। যানবাহনের অপেক্ষায় থাকতে দেখা গেছে ফেরিগুলোকে।

ঘাটের একাধিক সূত্রে জানা যায়, রবিবার বেলা বাড়ার সাথে সাথে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুট হয়ে দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীদের ভিড় বাড়তে শুরু করেছে। কাঁঠালবাড়ি ঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া প্রতিটি ফেরি, লঞ্চ, স্পিডবোটেই যাত্রী চাপ রয়েছে। আকাশ মেঘলা থাকায় ফেরিতেও চাপ উল্ল্যেখযোগ্য।

লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী ও ভিড় সামাল দিতে বিআইডব্লিউটিএ, পুলিশ, র‌্যাব, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োজিত রয়েছে। ফেরিতে যানবাহনের চাপ কম থাকলেও যাত্রীদের পর্যাপ্ত চাপ রয়েছে। স্পিডবোটেও চাপ ছিল সহনীয় পর্যায়ে।

যশোর, বরিশাল, খুলনাসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিটি যানবাহন বোঝাই হয়ে যাত্রী কাঁঠালবাড়ি ঘাটে আসছে। তবে ঘাট পর্যন্ত আসতে যাত্রীদের গুনতে হচ্ছে দেড় থেকে দ্বিগুণ ভাড়া। এ রুটের স্পিডবোট ও কিছু কিছু লঞ্চেও বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। নদী পাড়ি দিয়ে শিমুলিয়া ঘাট থেকে বাড়তি ভাড়া গুনে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে।

image

মোহাম্মাদ রাশেদ জানান, ঈদ শেষ হয়েছে ৬দিন আগে তারপরও কেন এখনো  বাড়তি ভাড়া গুনতে হয়েছে। প্রশাসন সব স্থানে রয়েছে তারা কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

বিলকিস আক্তার বলেন, ‘আমি ঈদের দুদিন পর দেশে গিয়েছিলাম সেসময় ঢাকা থেকে বাড়তি ভাড়া দিয়ে বাড়ি পৌঁছাতে হয়েছে। এখন আবার ঢাকা যাচ্ছি এখনো বাড়তি ভাড়া দিয়ে এই ঘাটে আসলাম। প্রশাসন কেন নিরব?

বিআইডব্লিউটিএ ঘাটালবাড়ী ঘাট ম্যানেজার আব্দুস সালাম জানান, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার যাত্রীরা কাঁঠালবাড়ি ঘাট হয়ে পদ্মা পাড় হচ্ছেন। এ রুটে চলাচলকারী ১৮টি ফেরি, ৮৭টি লঞ্চ ও প্রায় ২ শতাধিক স্পিডবোট সার্বক্ষণিক ব্যস্ত রয়েছে যাত্রী পারাপারে।

বিআইডব্লিউটিএ এর টিআই মো. আক্তার হোসেন বলেন, কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে তার জন্য আমাদের ঘাট এলাকায় বিআইডব্লিউটিএ, পুলিশ, র‌্যাব, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োজিত থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছেন। তাছাড়া বাড়তি ভাড়া নেয়ার যে অভিযোগ রয়েছে তা আমরা খতিয়ে দেখছি এবং প্রশাসনকে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলা আছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত