লক্ষ্মীপুরে মারামারি ঠেকাতে গিয়ে বাবুল হোসেন (৫০) নামে এক ব্যক্তি পিটুনিতে মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে ৬ জনকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা।
রবিবার রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার পূর্ববিজয় নগর এলাকার কিরণের চায়ের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত বাবুল স্থানীয় মৃত শহিদ উল্ল্যার ছেলে ও গাছ ব্যবসায়ী। তার মরদেহ লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। গণধোলাইয়ের শিকার ৬ জন ও প্রতিপক্ষের হামলায় আহত একজনকে পুলিশি পাহারায় একই হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, সদর উপজেলার বিজয় নগর গ্রামের নাপিত বাড়ির সোহেলের স্ত্রী লিপি আক্তারকে কুপ্রস্তাব দেন পার্শ্ববর্তী এলাকার মৎস্য চাষি শহীদ। এতে রাজি না হওয়ায় লিপি ও সোহেলের ভাগনে রাসেলকে জড়িয়ে কুৎসা রটান শহীদ।
বিষয়টি জানতে পেরে সোহেল ক্ষুব্ধ হয়ে কয়েকজন সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে শহীদের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে মারধর করে। এতে বাধা দিলে তারা বাবুলকেও মারধর করে। পরে স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নে্ওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক বাবুলকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় এলাকাবাসী সোহেলসহ ৬জনকে ঘেরাও করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজিজুর রহমান মিয়া জানান, দু’পক্ষের মারামারির ঘটনায় একজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় ৬জনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
