মরমী সাধক, দার্শনিক লালন সাঁইয়ের ১২৯তম তিরোধান দিবস আজ পহেলা কার্তিক। লালনের ‘আর কি হবে মানব জনম বসব সাধু মিলে’ কালামের ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন দেশের সাধু-মহাজন ও ভক্তরা সমাবেত হয়েছেন কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ার বসতিতে। আজ প্রভাতে গোষ্ঠ গানের মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে এবারের সাধু সংঘের আনুষ্ঠানিকতা।
এবার লালনের ‘বাড়ির কাছে আরশীনগর, সেথা এক পড়শি বসত করে’ এই কালামকে প্রতিপাদ্য ধরে আজ বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী লালন স্মরণ উৎসব। গতকাল থেকেই সাধু-মহাজন ও ভক্তরা আসতে শুরু করেছেন। তারা বলছেন, সাঁইজির রেখে যাওয়া বাণী মানবতা মুক্তির অনন্য দ্যুতি।
বাউলদের মূল সাধু সংঘ ছাড়াও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের সহযোগিতা এবং লালন একাডেমির আয়োজনে তিন দিনের এই স্মরণোৎসব বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন সন্ধ্যায় লালন দর্শনের আলোকে আলোচনা সভা ও লালন একাডেমির শিল্পীসহ দেশ-বিদেশের খ্যাতনামা বাউলরা লালনগীতি পরিবেশন করবেন। উৎসব ঘিরে বসতি সংলগ্ন কালীগঙ্গা নদীর ধারে বসেছে গ্রামীণ মেলা।
আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় লালন একাডেমির সভাপতি কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেনের সভাপতিত্বে উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া-৩ সদর আসনের সংসদ সদস্য মাহবুব উল আলম হানিফ।
লালন একাডেমির সাধারণ সম্পাদক সেলিম হক জানান, লালনের ১২৯তম তিরোধান দিবসকে ঘিরে প্রতিবারের মতো এবারও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় লালন একাডেমির পক্ষ থেকে সব ধরনের আয়োজন সম্পন্ন করা হবে।
