ঢাকার একটি হোটেল থেকে শেয়ালের মাংস ও কলিজা কিনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন হোটেলে বিক্রি হচ্ছিল খাসির মাংস বলে। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে শেয়ালের ২০ কেজি মাংস ও ১০ কেজি কলিজাসহ আজত আলী (২২) ও সাদ্দাম হোসেন (২০) নামে দুই যুবককে আটক করে পুলিশ।
সোমবার দুপুর ১টার দিকে উপজেলার সরাইল-বিশ্বরোড বাসস্ট্যান্ড থেকে খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানা পুলিশ তাদের আটক করে।
আটক আরজত হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলার মোরাছুড়ি এলাকার মাদু মিয়ার ছেলে ও সাদ্দাম একই এলাকার সাবু মিয়ার ছেলে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঢাকার পূর্ব রামপুরা এলাকার আল মেজবান নামে একটি মাংসের দোকান থেকে কম দামে শেয়ালের মাংস ও কলিজা কিনে এনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন এলাকার রেস্টুরেন্টে গিয়ে খাসির মাংস বলে বিক্রি করছিল ওই দুই যুবক।
পুলিশ জানায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কাউতলি এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে ৬ কেজি মাংস ও কলিজা বিক্রি করে তারা। সরাইল-বিশ্বরোড বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে বিক্রির সময় তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২০ কেজি শেয়ালের মাংস ও ১০ কেজি কলিজা জব্দ করা হয়।
খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ভ্রাম্যামাণ আদালতের মাধ্যমে সরাইল উপজেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা প্রিয়াংকা আরজত আলীকে ছয় মাসের কারাদণ্ড এবং সাদ্দাম হোসেনকে পাঁচ হাজার টাকার জরিমানা করেছেন।
