ইরাকের দুর্নীতিবিরোধী বিক্ষোভ নতুন দিকে মোড় নিয়েছে। এই মাসে দ্বিতীয় দফায় শুরু হওয়া এই বিক্ষোভে ইরান বিরোধী স্লোগান দিচ্ছে বিক্ষোভকারীরা।
ডেইলি সাবাহ জানায়, দ্বিতীয় দফায় শুরু হওয়া বিক্ষোভে ইরাকের পতাকা হাতে বিক্ষোভকারীরা বাগদাদ, কারবালাসহ অন্যান্য শহরে ইরানের দূতাবাস ও কনস্যুলেটের সামনে জমায়েত হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একাধিক ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, তারা সেখানে ইরান বিরোধী স্লোগান দেয়।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, ইরাক সরকার ইরানের ‘ছায়া সরকার’ হিসেবে কাজ করছে।
শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ গতকাল রবিবারও উত্তাল ছিল রাজধানী বাগদাদ। শুক্রবার এক দিনেই ৪২ জন নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। রবিবার সেই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় ৬৩ জনে।
এর আগে বেকারত্ব নিরসন, জনসেবার মানোন্নয়ন আর সরকারের সীমাহীন দুর্নীতি রোধের এ মাসের শুরুতে বিক্ষোভে নিহত হয় একশ'রও বেশি লোক।
এদিকে বিক্ষোভকারীদের দমনে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সঙ্গে মুখোশধারী লোকদেরও দেখা গিয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাত স্নাইপারদের হাতে নিহত হচ্ছে বিক্ষোভকারীরা। ধারণা করা হচ্ছে, বিক্ষোভ দমনে পেছন থেকে কাজ করছে ইরান।
জাতিসংঘের মহাসচিবের ইরাক বিষয়ক বিশেষ দূত জেনিনে হেনিস-প্লাসকার্ট বিক্ষোভকারীদের ওপরে সশস্ত্র হামলায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘মানুষের জীবনের নিরাপত্তা সবার আগে।’
তিনি বলেন, ‘মানবজীবনের সুরক্ষা সর্বদা প্রথম আসে। সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে নাশকতা চালাচ্ছে। তারা সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং সামর্থ্যকে ক্ষুণ্ন করছে, যা কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।’
