রাজশাহীতে এক দিনেই ১৬ উইকেট

আপডেট : ২৯ অক্টোবর ২০১৯, ০১:১১ এএম

দুদিন খেলা মাঠে গড়ায়নি বৈরী আবহাওয়ার কারণে। কিন্তু খেলা শুরু হতেই দুই দিনে যা হতো সেটাই যেন হয়ে গেল রাজশাহীতে। সিলেট-চট্টগ্রামের ম্যাচে একদিনেই পড়েছে ১৬ উইকেট। আগে ব্যাট করতে নেমে সিলেট ইরফান হোসেনের ৬ উইকেটে মাত্র ১৬৩ রানে গুটিয়ে যায়। চট্টগ্রাম নিজেরা ব্যাট করতে নেমেও ব্যাটিং ব্যর্থতায় পড়েছিল। কিন্তু পিনাক ঘোষের ৮৩ বলে ১০০ রানের সুবাদে ৬ উইকেটে ১৯১ করে দিন শেষ করে। আজ ম্যাচের শেষ দিন কী অপেক্ষা করছে তাই দেখার।

বগুড়ায় তৃতীয় দিনেও খেলা শুরু হতে পারেনি বরিশাল-ঢাকা মেট্রোর খেলা।

কক্সবাজারে সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে ঢাকার চেয়ে অনেক এগিয়ে গেছে খুলনা বিভাগ। দ্বিতীয় ইনিংসে ২ উইকেটে ১৪৫ রান করে ২০০ রানের লিড নিয়েছে তারা। কক্সবাজার একাডেমি মাঠে বিপদে আছে রাজশাহী। রংপুরের চেয়ে ৭৩ রানে পিছিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামা দলটি ৬ উইকেট হারিয়েছে ১২৯ রান তুলতেই। এগিয়ে তারা মাত্র ৫৬ রানে, হাতে আর ৪ উইকেট।

গত সপ্তাহে ক্রিকেটারদের আন্দোলনের একটি দাবি ছিল ঘরোয়া পর্যায়ে পারিশ্রমিক বাড়ানো। সেই দাবি পূরণের সুখবর নিয়ে শুরু করেছিল চলমান জাতীয় লিগের তৃতীয় রাউন্ডের তৃতীয় দিন। কিন্তু ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্সের উন্নতি হয়নি খুব একটা। টায়ার টুতে থাকা সিলেট আগের দুই রাউন্ডের মতোই সার্বিকভাবে ব্যাটিংয়ে ব্যর্থ। চট্টগ্রামের পেসার ইরফানের প্রথম শ্রেণিতে প্রথমবারের মতো ইনিংসে ৫ (৫৭ রানে ৬) উইকেটে দ্রুত গুটিয়ে গেছে তারা। সর্বোচ্চ ৪২ করেন সিলেটের অধিনায়ক অলোক কাপালি। গত রাউন্ডের সেঞ্চুরিয়ান ইমতিয়াজ করেন ২৪। চট্টগ্রাম নিজেদের প্রথম ইনিংসে নেমে সিলেটের চেয়েও বাজে অবস্থায় পড়ে। একপ্রান্ত আগলে পিনাক ঘোষ টি-টোয়েন্টি স্টাইলে খেলে ৮৩ বলে ১০০ করে দলের ব্যর্থতা ঢেকেছেন। এছাড়া সাদিকুর ও মুমিনুল হক করেছেন সমান ৩৭ রান করে। ৪ উইকেট হাতে ২৮ রান নিয়ে এগিয়ে আছে চট্টগ্রাম।

কক্সবাজারে আগের দিনের শক্ত অবস্থান ধরে রাখতে পারেনি ঢাকা বিভাগ। ২ উইকেটে ২০৬ রান দিন শুরু করেছিল তারা। কিন্তু খুলনার চেয়ে ৫৫ রানে পিছিয়ে থেকে অলআউট হয়ে যায়। টপঅর্ডারের চারজন ব্যাটসম্যান হাফসেঞ্চুরি করলেও বাকিরা তাদের চেষ্টাকে এগিয়ে নিতে পারেননি। দু্‌ই স্পিনার মেহেদী হাসান ৪ ও আব্দুর রাজ্জাক ৩ উইকেট নিয়ে খুলনাকে লিড এনে দেন। ৫৫ রানের লিড নিয়ে শুরু করা খুলনা দ্বিতীয় ইনিংসে ২ উইকেটে ১৪৫ রান তুলে তৃতীয় দিন শেষ করে। প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান এনামুল হক ৬১ রানে অপরাজিত। এছাড়া ৬৬ করে আউট হন ইমরান উজ্জামান।

একই ভেন্যুর একাডেমি মাঠে রংপুরকে বেশিদূর এগোতে না দিলেও লাভ হয়নি রাজশাহীর। আগের দিন ৬ উইকেটে ২৬৩ রানে থাকা রংপুরকে ২৭৪ রানেই গুটিয়ে দেয় তারা। ৫৫ রানে অপরাজিত থাকা নাসির ৬২ রানে ফিরেছেন। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে নেমে ১২৯ রান করতেই ৬ উইকেট হারাতে হয়েছে তাদের। জুনায়েদ ৩৪, শাখির হোসেন ২৯ করেন। মাত্র ৫৬ রানে এগিয়ে থাকা রাজশাহী শেষদিনে ম্যাচ বাঁচানোর জন্যই লড়বে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

 রাজশাহী : ২০১‌ ও ১২৯/৬ (জুনায়েদ ৩৪, শাখির ২৯, মুক্তার ১৭*; শুভ ২/২৪, মাহমুদুল ২/২১, তানবির ২/২৩)। রংপুর : ২৭৪ ।

 খুলনা : ৩৭১ ও ১৪৫/২ (এনামুল ৬১, ইমরান ৬৬; সালাউদ্দিন ১/১৭)। ঢাকা বিভাগ : ৩১৬

 সিলেট : ১৬৩ (কাপালি ৪২, ইমতিয়াজ ২৪; ইরফান ৬/৫৭, হাসান ৩/৪৯)। চট্টগ্রাম : ১৯১/৬ (পিনাক ১০০, সাদেকুর ৩৭, মুমিনুল ৩৭; এনামুল জুনিয়র ২/৩৫, আবু জায়েদ ২/৬৪)।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত