মুঘলদের অমর কীর্তি দিল্লি জামে মসজিদ

আপডেট : ০১ নভেম্বর ২০১৯, ০৬:২৭ এএম

দিল্লির পরিচিতি ছিল শাহজাহানাবাদ নামে। সম্রাট শাহজাহান ছিলেন তখন ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্যের অধিপতি। শাহজাহানাবাদ ছিল মুঘলদের রাজধানী। এখানেই শাহজাহান স্থাপন করেন তার অমর কীর্তি দিল্লির জামে মসজিদ। পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ এই মসজিদ নিয়ে লিখেছেন আরফাতুন নাবিলা 

জামে মসজিদের অবস্থান

চাঁদনী চকের শেষ প্রান্তে যে লাল দুর্গ তার কিছু পরই দাঁড়িয়ে আছে জামে মসজিদ। এক সময় এই জায়গাটি প্রচুর জাঁকজমকপূর্ণ ছিল। আগেকার দিনে দিল্লির সেই জাঁকজমক এখন নেই বললেই চলে। তবে, শত শত বছর পরও বড় বড় বহু স্থাপনা সামনে নিয়ে আসে দিল্লির গৌরবোজ্জ্বল অতীত ইতিহাসকে।

দিল্লি (শাহজাহানাবাদ) জামে মসজিদ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর শুরুর দিকে এর পরিচিতি ছিল ‘মসজিদে জাহান নামা’ বা ‘জগতের প্রতিবিম্ব মসজিদ’ নামে। বিংশ শতাব্দীর শেষ দিক পর্যন্ত এই মসজিদই ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় মসজিদ। মসজিদটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটি সব ধরনের মানুষেরই আগ্রহের কেন্দ্রে ছিল। মরক্কোর বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতাও তার ভ্রমণকাহিনীতে দিল্লি জামে মসজিদ বিষয়ে লিখেছেন। সেখানে তিনি এই মসজিদকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মসজিদ বলে উল্লেখ করেছেন। মুঘল সাম্রাজ্যের অপরূপ আর নান্দনিক এই স্থাপনায় ব্যবহার করা হয়েছিল প্রচুর পরিমাণে লাল পাথর, নুড়ি পাথর ও মর্মর পাথর। বলাবাহুল্য, এই তিন পাথরের সমাহার মসজিদটির শোভা বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে।

নির্মাণ করেন শাহজাহান

আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত দিল্লির বিশালাকার এই জামে মসজিদের আসল নাম ছিল ‘মসজিদে জাহান নুমা’। এর বাংলা করলে দাঁড়ায় ‘বিশ্বে প্রতিফলিত হওয়া মসজিদ’। ভারতের পঞ্চম মুঘল সম্রাট শাহজাহান এই মসজিদ নির্মাণ করেন। ১৬৫০ খ্রিস্টাব্দের ৬ অক্টোবর শুক্রবার নিজ হাতে এই মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন শাহজাহান।

দিল্লির পুরনো অংশে এই মসজিদ নির্মাণের জন্য বাছাই করা হয়েছিল স্থাপত্য কাজের সঙ্গে জড়িত সেই সময়ের সেরা ব্যক্তিদের। তালিকায় আরও ছিলেন সেরা ভাস্কর, ইঞ্জিনিয়ার, সেরা ক্যালিগ্রাফার আর বিশিষ্ট কারিগর। অসাধারণ এই মসজিদ নির্মাণের কাজে যুক্ত ছিলেন প্রায় ছয় হাজার শ্রমিক। তাদের অক্লান্ত শ্রমে প্রায় ছয় বছর পর মসজিদটি তার পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়। ১৬৫৬ সালে বা ১০৬৬ হিজরির ঈদুল ফিতরে নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে এই মসজিদ উদ্বোধন করা হয়।

দিল্লির জামে মসজিদ উদ্বোধন করতে উজবেকিস্তান থেকে একজন ইমাম এসেছিলেন। বলার অপেক্ষা রাখে না, কয়েক শতাব্দী আগে নিজের দেশ থেকে ভারতে আসতে তাকে বেশ হিমশিম খেতে হয়েছে।

শাহজাহানের আমলে একজন রাজমিস্ত্রি আর শ্রমিকের বেতন ছিল যথাক্রমে ২ পয়সা আর ১ পয়সা। এই হিসাব অনুযায়ী- অনেকেই ভাবেন, শ্রমিকের মজুরি যেহেতু কম তাহলে মসজিদের নির্মাণেও হয়তো তেমন কিছু খরচ হয়নি। কিন্তু মোটেও তা নয়। সে সময় এই মসজিদ নির্মাণে খরচ হয়েছিল ১০ লাখ রুপি! মসজিদের সাজসজ্জার জন্য অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তি আর রাজা-বাদশাহরা প্রচুর দামি পাথর উপহার হিসেবে দিয়েছিলেন। এছাড়াও ছিল আরও অনেক ধরনের নির্মাণ সামগ্রী। এগুলোর কোনোটিই কিন্তু এই ব্যয়ের হিসাবে ধরা হয়নি!

পাথরে পাথরে পবিত্র কুরআনের বাণী

জামে মসজিদ প্রতিষ্ঠার কাজ চলছিল ধীরগতিতে। নির্মাণকাজ চলার সময় ধীরগতির জন্য শাহজাহানের কাছে অভিযোগ এলো। সম্রাট শাহজাহান মসজিদের নির্মাণকাজে দায়িত্বে থাকা সাদুল্লাহ খানের কাছে এই দেরির কারণ জানতে চাইলেন। সাদুল্লাহ খান জানালেন, প্রতিটি পাথরে পবিত্র কুরআনের বাণী লেখা হচ্ছে। তাই দেরি হচ্ছে কাজে। এই কথায় শাহজাহান ভীষণ আনন্দিত হলেন। মসজিদের কাজে যত সময় লাগুক তা যেন সঠিকভাবে করা হয় তিনি শুধু সেই নির্দেশই দিলেন।

মসজিদের সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব এর সাদাসিধে গঠনে। অনেকেই মনে করেন, এর সৌন্দর্য এর স্বাভাবিকতার মাঝেই। বিরাট আয়তনের এই সাদাসিধে গঠনটাই হাজার হাজার রঙিন আর জাঁকজমক সৌন্দর্যকে বিলীন করে দিতে যথেষ্ট। এর পাশে আর কোনো সুন্দরই যেন ফিকে হয়ে যায়।

মুঘল সম্রাটদের রাজ্য অভিষেক

একদম শুরু থেকে, জামে মসজিদের শাহী ইমাম মুঘল সম্রাটদের রাজ্য অভিষেকে শরিক হতেন। সে সময় যে ইমামই মসজিদের দায়িত্বে থাকতেন তার মাধ্যমেই নতুন সম্রাটের রাজ্য অভিষেক করা হতো। সম্রাট আওরঙ্গজেবের রাজ্য অভিষেকের দায়িত্বেও ছিলেন জামে মসজিদের সে সময়ের ইমাম সৈয়দ আবদুল গফুর শাহ বুখারী। এই ধারা বজায় ছিল শেষ মুঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরের অভিষেক পর্যন্ত। শেষ সম্রাটের অভিষেক করিয়েছিলেন মসজিদের অষ্টম শাহী ইমাম মির আহমেদ আলী শাহ বুখারী। দিনটি ছিল ১৮৩৭ খ্রিস্টাব্দের ৩০ সেপ্টেম্বর। 

জামে মসজিদের ইমামদের ইতিহাস

জামে মসজিদের ইমামের দায়িত্ব নির্ধারণের আছে একটি ইতিহাস। মসজিদের প্রথম ইমাম ছিলেন সৈয়দ আবদুল গফুর শাহ বুখারী। সম্রাট শাহজাহান চেয়েছিলেন বিশিষ্ট এই মসজিদের এমন একটি বৈশিষ্ট্য থাকুক যা অন্য কোনো মসজিদের নেই। তিনি ভাবলেন উজবেকিস্তানের বুখারার কথা। সে সময় বুখারা ছিল সকল ধরনের শিক্ষা আর শিল্পের কেন্দ্রবিন্দু। সব বিষয়ের বিশেষজ্ঞদেরই আগমন ঘটত সেখানে।

সম্রাট শাহজাহান বুখারার প্রধানকে জামে মসজিদের ইমামতি করার জন্য একজন ব্যক্তির সন্ধান চাইলেন এবং এও জানালেন যে, সেই ব্যক্তি যেন অবশ্যই জন্ম থেকে সৎ হন, নবী করিম (সা.)-এর বংশধর হন, তার শিক্ষা এবং যোগ্যতা যেন সেই সময়ের তুলনায় উচ্চতর হয়। পরে সম্রাটের ইচ্ছায় বুখারার প্রধান সিদ্ধান্ত নিলেন সৈয়দ আবদুল গফুর শাহ বুখারীকে শাহজাহানাবাদে পাঠাতে। বুখারী প্রধানের সাহায্যে সৈয়দ আবদুল গফুর শাহ ও তার পরিবারকে দিল্লিতে সম্মানের সঙ্গে পাঠানো হয়।

গফুর শাহ বুখারীর আনুষ্ঠানিক অভিবাদনের দিন আসতে আসতে জামে মসজিদ প্রস্তুত হয়ে গিয়েছিল। ১৬৫৬ সালের ২৪ জুলাই সোমবার সম্রাট শাহজাহান তার সকল মন্ত্রী, অনুচরবৃন্দ, সভাসদ আর দিল্লি থেকে আগত সম্মানিত ব্যক্তিসকলকে নিয়ে জামে মসজিদে গফুর শাহ বুখারীর ইমামতিত্বে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন। এরপর সম্রাট তাকে প্রশংসাবাক্যসহ তাকে ইমামের পোশাক প্রদান করেন এবং তার প্রধান অফিস ইমামত-এ-উজমায় তাকে নিয়োগ দেন। তখনই সম্রাট তাকে শাহী ইমাম খেতাব প্রদান করেন। সেই দিন থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত এই পরিবারের ব্যক্তিরাই প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম ধরে জামে মসজিদের ইমামতি করে আসছেন। প্রথম ইমাম সৈয়দ আবদুল গফুর শাহর পর মসজিদের ইমাম হিসেবে স্থলাভিষিক্ত হন তার পুত্র।

মসজিদের দায়িত্ব পাওয়া ইমামরা

বর্তমানে এই মসজিদের দায়িত্বে আছেন মওলানা সৈয়দ আহমেদ বুখারী। তিনি ২০০০ সালের ১৪ অক্টোবর দায়িত্বপ্রাপ্ত হন।

জামে মসজিদের শুরু থেকে যেসব ইমাম ইমামতি করেছিলেন তারা হলেন যথাক্রমে- সৈয়দ আবদুল গফুর শাহ বুখারী শাহী ইমাম, সৈয়দ আবদুল শাকুর শাহ বুখারী শাহী ইমাম, সৈয়দ আবদুল রহিম শাহ বুখারী শাহী ইমাম, সৈয়দ আবদুল গফুর শাহ বুখারী থানি শাহী ইমাম, সৈয়দ আবদুল রেহমান শাহ বুখারী শাহী ইমাম, সৈয়দ আবদুল করিম শাহ বুখারী শাহী ইমাম, সৈয়দ মীর জেওয়ান শাহ বুখারী শাহী ইমাম, সৈয়দ মীর আহমেদ আলী শাহ বুখারী শাহী ইমাম, সৈয়দ মোহাম্মদ শাহ বুখারী শাহী ইমাম, মওলানা সৈয়দ আহমেদ বুখারী শাহী ইমাম, মওলানা সৈয়দ হামিদ বুখারী শাহী ইমাম, মওলানা সৈয়দ আবদুল্লাহ বুখারী শাহী ইমাম ও সর্বশেষ মওলানা সৈয়দ আহমেদ বুখারী শাহী ইমাম।

মসজিদের ভেতরের স্থাপনা

মসজিদের উত্তর, দক্ষিণ, এবং পূর্বদিকে একটি করে ৩টি সুবিশাল প্রবেশপথ রয়েছে, এই প্রবেশপথগুলো দিয়ে মসজিদে উঠতে গেলে যথাক্রমে ৩৯, ৩৩ ও ৩৫টি করে সিঁড়ি ভাঙতে হবে, মাটি থেকে মসজিদের ভিত্তিভূমির উচ্চতা প্রায় ৩০ ফুট।

মসজিদটিতে চারটি সাদা গম্বুজ এবং দুটি মিনার রয়েছে। মিনার দুটির উচ্চতা প্রায় ৪০ মিটার। মিনার দুটির পাঁচটি ধাপে পাঁচটি করে ব্যালকনি রয়েছে, যার প্রথম তিনটি লাল বেলেপাথর, চতুর্থটি সাদা মার্বেল এবং পঞ্চমটি সাধারণ পাথর দিয়ে তৈরি। লাল বেলেপাথর এবং সাদা মার্বেলের স্ট্রাইপ দেওয়া মিনার দুটি সূর্যের আলোর তীব্রতা ভেদে রং বদলায়। ঝলমলে সূর্যালোক এবং ভরা পূর্ণিমার সময় এর নয়নাভিরাম সৌন্দর্য যেকোনো মানুষের হৃদয় কাড়ে। দিল্লি জামে মসজিদের দৈর্ঘ্য প্রায় ৮০০ মিটার এবং প্রস্থ ২৭ মিটার।

মসজিদের মেঝে তৈরি হয়েছে সাদা ও কালো মর্মর পাথরের মিশ্রণে। প্রতিটি মুসল্লির সিজদার স্থান এই মর্মর পাথর বসিয়ে চিহ্নিত করে দেওয়া হয়েছে। এই নামাজের স্থানগুলোর প্রতিটির দৈর্ঘ্য ৯১.৪৪ সেন্টিমিটার এবং প্রস্থ ৫০ সেন্টিমিটার। মসজিদের মূল চত্বরে এরকম ৮৯৯টি নামাজের স্থান চিহ্নিত করা আছে। মসজিদের উত্তর পাশে একটি ভবনে রাসুলে পাক (সা.)-এর পবিত্র স্মৃতিচিহ্ন ও হরিণের চামড়ার ওপর লেখা পবিত্র কুরআন শরিফের একটি কপি রয়েছে।

উপমহাদেশের আরও অনেক মসজিদের মতো দিল্লি জামে মসজিদেও ফার্সি শিলালিপি রয়েছে। ভারতে মুঘল শাসনের সময় ইরানে চলছিল সাফাভি রাজবংশের শাসন। এ কারণে এসব শিলালিপিতে তৎকালীন সাফাভি শাসনামলের লেখ্যরীতি চোখে পড়ে।

মসজিদের বিশালত্ব

জামে মসজিদ আকৃতিতে এত বড় যে, এর চত্বরে প্রায় ২৫ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারেন। একসঙ্গে এত বিপুলসংখ্যক মানুষের প্রার্থনার দৃশ্য বেশ দর্শনীয় আর বিরলও বটে। বিশেষ করে বছরের দুই ঈদে দিল্লি জামে মসজিদে নামাজরত মুসল্লিদের সেই দৃশ্য দেখা চিরকাল মনে রাখার মতো একটি ব্যাপার।

মসজিদটি শুরুতে ছোট আকারে থাকলেও এর জন্য সম্রাট শাহজাহান যে বিশাল জমি বরাদ্দ দিয়েছিলেন পরে তার প্রায় পুরোটা জুড়ে মসজিদটি বিস্তৃত হয়েছে। ৩১ বছর ধরে ভারতবর্ষ শাসনকারী সম্রাট শাহজাহানের শিল্প, স্থাপত্য, কবিতা ও ফার্সি সাহিত্যের প্রতি বিশেষ দুর্বলতা ছিল। ভারতের কোনো শাসক শাহজাহানের মতো এত বেশি বিশাল ও বিখ্যাত স্থাপনা রেখে যাননি। তাজমহল নির্মাণের জন্য শাহজাহানের খ্যাতি ছড়িয়ে পড়লেও তিনি দিল্লি জামে মসজিদ, দিল্লির লাল কেল্লা, আগ্রা কেল্লার বেশিরভাগ অংশ, লাহোরের উজির খান মসজিদ এবং পাকিস্তানের তেহাটায় শাহজাহান মসজিদ নির্মাণ করেন।

অক্ষত সৌন্দর্য

১৮৫৭ সালের সিপাহী বিপ্লবের পর ব্রিটিশ সরকার জামে মসজিদ ক্রোক করে সেখানে তাদের সৈন্য মোতায়েন করে, এমনকি মুসলিমদের মনে আঘাত দেওয়ার জন্য এই ঐতিহাসিক মসজিদ ধ্বংসের পাঁয়তারাও করে। কিন্তু মুসলিমদের বাধার মুখে তা সফল হয়নি।

বছরের পর বছর ধরে এই মসজিদ ধরে রেখেছে তার সৌন্দর্য আর ঐতিহ্য। আজও ভারত ভ্রমণে এই জায়গাটি দর্শনীয় স্থান। ভারত ভ্রমণে এলে পর্যটকরা এই মসজিদটি দেখতে ভুল করেন না। কারণ এর নান্দনিক স্থাপত্যশৈলী দেখলে সত্যিই মুগ্ধ হতে হয়। মনোমুগ্ধকর এই মসজিদে দু’বার হামলার ঘটনাও ঘটেছে। ২০০৬ সালে এখানে বোমা বিস্ফোরণ হয়। এরপর ২০১০ সালে দিল্লির জামে মসজিদে গোলাগুলি হয়। ভয়াবহ এই দুটি ঘটনার পরও পর্যটকদের কাছে দিল্লির প্রধান আকর্ষণ হিসেবে এটি এখনো টিকে আছে। যদিও চলতি বছরের মে মাসে এই মসজিদের ভেতর পর্যটক প্রবেশে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। কারণ সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে দেখা গেছে মসজিদের ভেতর নাচছেন দুই জাপানি নারী। এতে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়ে জামে মসজিদ কমিটি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত