হিংসা-হানাহানি, লোভ-মোহ, মাদক ও সকল অধর্ম কাজ ত্যাগ করে গৌতম বুদ্ধের আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছেন বনভান্তের অন্যতম শিষ্য নন্দপাল মহাস্থবির। তিনি জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মৈত্রী বাণী প্রচার ও প্রসার ঘটানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
নন্দপাল মহাস্থবির শনিবার খাগড়াছড়ি-রাঙামাটির সীমান্ত বাঘাইছড়ি উপজেলার অজল চুগ বন বিহারে পঞ্চম মহান কঠিন চীবর দান উৎসবে এসব বলেন।
এর আগে সকালে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে নন্দপাল মহাস্থবির খাগড়াছড়িতে আসেন। তিন পার্বত্য জেলার নারী সাংসদ বাসন্তী চাকমা, খাগড়াছড়ির জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী, জেলা পরিষদ সদস্য শতরূপা চাকমা ও জুয়েল চাকমা তাকে স্বাগত জানান। এ সময় শত শত ধর্মপ্রাণ মানুষ তাকে দেখতে ভিড় করেন ও শ্রদ্ধা জানান।
অজল চুগ বন বিহারের বিহারাধ্যক্ষ সত্যমতি ভান্তের সভাপতিত্বে ধর্মদেশনা অনুষ্ঠানে প্রধান ধর্মীয় আলোচক ছিলেন নন্দপাল মহাস্থবির। এতে আরও বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য বাসন্তী চাকমা, জেলা পরিষদ সদস্য শতরূপা চাকমা প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সাধনাটিলা বন বিহারের বিহারাধ্যক্ষ বুদ্ধ বংশ মহাথের, দীঘিনালা বনবিহারের বিহারাধ্যক্ষ শুভ বর্ধন মহাস্থবিরসহ দুই পার্বত্য জেলার শতাধিক বৌদ্ধ ভিক্ষু বৌদ্ধ নর-নারীরা অংশ নেন।
সকালে ও বিকেলে মহান কঠিন চীবর দান উৎসব উপলক্ষে দেশ জাতি ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে সকলের শান্তি ও মঙ্গল কামনায় পঞ্চশীল গ্রহণ, বুদ্ধপূজা, সংঘদান, অষ্ট পরিষ্কার দান, কল্পতরু দান ও চীবর দান উৎসর্গ করা হয়।
