পুলিশের জালে ধরা পড়েছে তরুণীকে (১৮) অপহরণের পর ধর্ষণ চেষ্টার চার আসামির দুজন। গ্রেপ্তার দুই আসামি হলো সদর উপজেলার নিতেশ্বর এলাকার কামাল মিয়া (২৩) এবং গাড়িচালক গিয়াস নগর ইউনিয়নের শাহপুর এলাকার রুবেল মিয়া (২৪)।
এর আগে শনিবার রাতে নিজ বুদ্ধিতে চার দুষ্কৃতকারীর ধর্ষণ থেকে রেহাই পান।
রবিবার সন্ধ্যায় নিজ নিজ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করেছে মৌলভীবাজার মডেল থানা পুলিশ।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মৌলভীবাজার সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাশেদুল ইসলাম।
জানা গেছে, শনিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে অপহৃত এই তরুণীর মামা তাকে ভৈরব বাজার পাঠানোর জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের পুরাতন গেটের সামনে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন। এ সময় একটি প্রাইভেটকারে করে অপহরণকারী দল তাদের সামনে এসে লোকাল যাত্রী হিসেবে শ্রীমঙ্গল যাওয়ার প্রস্তাব করে। মেয়েটির মামা তাকে গাড়িতে তুলে দিয়ে ভৈরব বাজার নামিয়ে দেওয়ার জন্য প্রাইভেটকারের চালককে বলেন।
পুলিশ জানায়, গাড়ির চালক মৌলভীবাজার শহর পার হয়ে শ্রীমঙ্গল রোডে না গিয়ে প্রেমনগর চা-বাগান রোডে প্রবেশ করলে তরুণী থাকে নামিয়ে দেওয়ার জন্য বলেন এবং চিৎকার দেন। একপর্যায়ে তরুণী বুদ্ধি করে মোবাইলফোনে বিষয়টি তার মামা জহিরুল ইসলামকে জানান। পরে আসামিরা মোবাইল কেড়ে নেয়। তারা গাড়িতেই ধর্ষণের চেষ্টা করে। খবর পেয়ে পুলিশের কয়েকটি দল ততক্ষণে অভিযান শুরু করে। পরে দেওড়া চড়া থেকে ধর্ষণের প্রস্তুতিকালে পুলিশ তরুণীকে ভোর ৪টার দিকে উদ্ধার করে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামিরা পালিয়ে যায়।
মৌলভীবাজারের মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, রবিবার সকালে অপহৃত তরুণী বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলার আসামির মধ্যে চালকসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দ্রুত পলাতক দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হবে।
তবে অপর দুই আসামির নাম প্রকাশ করেনি পুলিশ।
