গাজীপুরের কালিয়াকৈরে স্ত্রীকে অপহরণের পর শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। হত্যাকাণ্ডের আড়াই মাস পর গতকাল বুধবার সকালে উপজেলার কালামপুর খাজারডেক এলাকার একটি বাগানবাড়ীর সেপটিক ট্যাংক থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের স্বামী-সতীন ও তার ছেলেসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নিহত গৃহবধূ ফরিদা খাতুন (৪২) পাবনার আতাইকুলা থানার শিমুলচারা এলাকার ফজল প্রামাণিকের মেয়ে। তিনি একই থানার শ্রীপুর এলাকার মনসুর আলীর তৃতীয় স্ত্রী।
নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মনসুর কালিয়াকৈর উপজেলার কালামপুর খাজারডেক এলাকার মৃত আতাব উদ্দিন দেওয়ানের বাগানবাড়ীর কেয়ারটেকার। তিনি ফরিদা খাতুনকে নিয়ে বাগানবাড়ীর একটি টিনশেড ঘরে বসবাস করতেন। কিন্তু স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বনিবনা ছিল না। গত ১৮ আগস্ট রাত ৯টার দিকে হত্যার উদ্দেশে ফরিদাকে অপহরণ করে মনসুর। পরে তিনি স্থানীয় লোকজন ও শ^শুরবাড়ির লোকজনকে জানায় ফরিদার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। মনসুর ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী রেখা খাতুন তাদের সন্তানদের নিয়ে পালিয়ে যায়। গত ৪ নভেম্বর রেখা খাতুন (৫০) ও তার ছেলে স্বপনকে (২০) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত মঙ্গলবার রাতে ঢাকার আশুলিয়া থানার শিমুলিয়া এলাকা থেকে মনসুরকে গ্রেপ্তার করে কালিয়াকৈর থানার পুলিশ। গতকাল বুধবার সকালে উপজেলার চন্দ্রা থেকে বাগানবাড়ীর মালিকের স্ত্রী খোদেজাকে (৪০) গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারদের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ বাগানবাড়ীর সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে গতকাল দুপুরে নিহতের গলিত লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।
