নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলা আ. লীগের এক সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি এবং পাইকুড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত চেম্বার ও সাবেক আ.লীগের কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনায় দ্রুত বিচার আইনে মামলা হয়েছে। মামলাটি করেছেন ওই চেম্বারের মালিক হুমায়ূন কবির চৌধুরী।
ভাঙচুর ঘটনায় সিলিমপুর গ্রামের মৃত মুজিবুর রহমান মজলুর ছেলে ও উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মুস্তাফিজুর রহমান বিপুলকে (৪০) প্রধান আসামি করা হয়েছে।
এ ছাড়া ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আ. লীগের পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ আরও ২০/২৫ জনকে অজ্ঞাত করে এ মামলা দায়ের করা হয়েছে। রবিবার বিকেলে দ্রুত বিচার আইনে মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কেন্দুয়ার থানা ওসি মো. রাশেদুজ্জামান।
মামলায় অন্যান্য অভিযুক্তরা হলেন- কান্দিউড়া গ্রামের মৃত ইদু মহাজনের ছেলে আফরিদ জাহান খান স্বপন (২৫), আলীপুর গ্রামের মৃত আ. রহমানের ছেলে মাজহারুল ইসলাম জুয়েল (৪০), ওয়াসেরপুর গ্রামের মৃত আ. রশিদের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৪২), জফরপুর গ্রামর রহিছ উদ্দিনের ছেলে ইফতিকার (২৮) ও কেন্দুয়া বাজার এলাকার শ্রী বল্লভ পোদ্দারের ছেলে তাপন পোদ্দার (৪০)। বাদীসহ অভিযুক্তরা সকলে আওয়ামীলীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের বর্তমান ও সাবেক নেতা-কর্মী।
মামলার অভিযোগে জানা যায়, গত ১ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আসামিসহ আরও অনেকে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্র শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে জনমনে ভীতি সৃষ্টি করে মামলার বাদীর কেন্দুয়া পৌরসভার উপজেলা রোডে সোনালী ব্যাংক সংলগ্ন চেম্বারে ভাঙচুর চালায়। এ সময় বাদীর চেম্বারে টিভি ও বিভিন্ন ধরনের আসবাবপত্র এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও ভাঙচুর করে ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। ওই দিন দুপুরে তার স্ত্রীর নামে এনআরসি ব্যাংক কেন্দুয়া শাখার হিসাব হতে ৪ লাখ উত্তোলন করে চেম্বারে সেক্রেটারি টেবিলের ড্রয়ার রাখা ছিল। ঘটনার সময় ড্রয়ারের তালা ভেঙে টাকা নিয়ে বীরদর্পে পালিয়ে যায়।
কেন্দুয়ার থানার ওসি মো. রাশেদুজ্জদামান রবিবার সন্ধ্যায় মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার তিন দিন পর এজাহার দিয়েছে বাদী হুমায়ূন কবির চৌধুরী। আইন শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০০ (সংশোধনী) ২০১৯ এর ৪/৫ ধারায় মামলাটি আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
