বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিন ১০ জানুয়ারি। আর চলতি বছরের এই দিনটিকে মুজিব শতবার্ষিকীর ক্ষণগণনার দিন হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।
রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের প্যারেড গ্রাউন্ডে এই উপলক্ষে প্রতীকীভাবে তুলে ধরা হয়েছে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মুহূর্তটি।
শুক্রবার বিকেলে পৌনে পাঁচটায় ছিল সেই বিশেষ মুহূর্ত। প্যারেড গ্রাউন্ডে থাকা বিমানের দরজা খোলার ঘোষণা আসতেই উপস্থিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যসহ সবাই উঠে দাঁড়ান। এরপর বিমানের দরজায় সাদা পর্দায় সবুজ আলোতে ফুটিয়ে তোলা হয় বঙ্গবন্ধুর অবয়ব।
এরপর সিঁড়ি বেয়ে নেমে আসে সবুজ আলোকরশ্মি। যা ফুটিয়ে তোলে লাল গালিচার ওপর বঙ্গবন্ধু হেঁটে যাওয়া। আগে থেকে উপস্থিত দর্শকেরা নানা বর্ণের ফুল ছিটিয়ে দেন গালিচার ওপর। সবাই উচ্ছ্বাস প্রকাশের সঙ্গে স্লোগান দিতে থাকেন। সবশেষে বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে গার্ড অব অনার প্রদান করে সশস্ত্র বাহিনী।
পরে বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী এই আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।
২৯০ দিন পাকিস্তানে কারাজীবন শেষ করে ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি মুক্তি পান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেখান থেকে তিনি লন্ডনে যান। এরপর ১০ জানুয়ারি ব্রিটিশ রাজকীয় কমেট বিমানে দিল্লি হয়ে দুপুর দেড়টার পর তিনি রাজধানীর তেজগাঁওয়ের পুরোনো বিমানবন্দরে নামেন।
ওই স্থানেই ক্ষণগণনার অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এটি ১৭ মার্চ ‘জিরো আওয়ারে’ গিয়ে শেষ হবে।
শুক্রবার ও বিশ্ব ইজতেমার প্রথম দিন হওয়ায় ক্ষণগণনার অনুষ্ঠান শুরু হয় বেলা ৩টার পর। বিকেল ৫টার দিকে বক্তৃতা শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। বক্তব্য শেষে মুজিববর্ষের লোগো উম্মোচন ও ক্ষণগণনার ডিজিটাল ঘড়ির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি। একই সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জাতীয় সংসদের সামনে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত ক্ষণগণনার ডিজিটাল ঘড়ি চালু হয়। সারা দেশের ২৮টি বড় শহর, ৫৩টি জেলা, টুঙ্গিপাড়া ও মুজিবনগরে স্থাপিত ডিজিটাল ঘড়িও চালু হয় একই সঙ্গে।
অনুষ্ঠানটি দেখুন...
