নাজমুল হোসেন শান্তর অসাধারণ ব্যাটিং আর মোহাম্মদ আমিরের রেকর্ড গড়া বোলিং। এই দুইয়ে রাজশাহী রয়্যালসকে হারিয়ে সবার আগে বঙ্গবন্ধু বিপিএল টি-টোয়েন্টির ফাইনালে উঠেছে খুলনা টাইগার্স।
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সোমবার প্রথম কোয়ালিফায়ারে রাজশাহীকে ২৭ রানে হারায় মুশফিকুর রহিমের দল। জয়ের জন্য ১৫৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৩১ রান করে রাজশাহী।
শুরুতেই পথ হারা হয় আন্ড্রে রাসেলের দল। ২৩ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বসে তারা। এর মধ্যে চারটি উইকেটই নেন আমির!
রাজশাহীর ব্যাটসম্যানদের মধ্যে স্রোতের বিপরীতে ব্যাট চালিয়েছেন কেবল শোয়েব মালিক। উইকেট ছাড়ার আগে ৫০ বলে দশ চার ও চার ছক্কায় ৮০ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলেন পাকিস্তানী এই ব্যাটসম্যান।
অন্যদের মধ্যে তাইজুল ইসলাম (১২) ও কামরুল ইসলাম রাব্বি (১১) ছাড়া কেউই দুই অঙ্ক স্পর্শ করতে পারেননি।
খুলনার বোলারদের মধ্যে চার ওভার বোলিং করে ১৭ রানে ৬ উইকেট নেন পাকিস্তানী পেসার আমির। বিপিএলে রেকর্ড গড়া বোলিংয়ে জিতে নেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার।
এছাড়া ছয় রানে দুটি উইকেট নেন মেহেদী হাসান মিরাজ। একটি করে উইকেট নেন রবি ফ্রাইলিঙ্ক ও শহীদুল ইসলাম।
এর আগে নির্ধারিত কুড়ি ওভারে ৩ উইকেটে ১৫৮ রান করে টসে হারা খুলনা।
লিগ পর্বে শেষ ম্যাচে অপরাজিত ১১৫ রানের ইনিংস খেলে ঢাকা প্লাটুনের বিপক্ষে দলকে জয় এনে দেওয়া শান্ত কোয়ালিফায়ারেও দারুণ ব্যাট চালিয়েছেন। ওপেনিংয়ে নেমে ৭৮ রান করে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। তার ৫৭ বলের ইনিংসে রয়েছে সাত চার ও চার ছক্কা।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান এসেছে শামসুর রহমানের ব্যাট থেকে। ৩১ বলে দুই চার ও এক ছক্কায় ৩২ রান করেন চার নম্বরে নামা এই ব্যাটসম্যান। অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম করেন ১৬ বলে ২১ রান।
রাজশাহীর বোলারদের মধ্যে ১৩ রানে দুটি উইকেট নেন পাকিস্তানী পেসার মোহাম্মদ ইরফান। অপর উইকেটটি নেন ইংলিশ পেসার রবি বোপারা।
ম্যাচটিতে হারলেও টুর্নামেন্ট থেকে একেবারে ছিটকে যাবে না রাজশাহী। বুধবার দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের মুখোমুখি হবে তারা।
একই ভেন্যুতে সোমবার এলিমেনেটর ম্যাচে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার ঢাকা প্লাটুনকে ৭ উইকেটে হারিয়ে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারের টিকিট পেয়েছে মাহমুদউল্লাহর চট্টগ্রাম।
